এভিয়েশন নীতিমালা লংঘন করে বিমানের সিকিউরিটি ম্যানেজার পদে জনবল পদায়ন!

বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ বিমান এয়ার লাইন্সে এভিয়েশন নীতিমালাকে লংঘন করে একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজরকে ‘সিকিউরিটি ম্যানেজার’ পদে পদায়ন করা হয়েছে বলে কথা ওঠেছে। বিমানের বোর্ড মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে বিমান সূত্রে জানা গেছে। এভিয়েশনের অভিঙ্ঞরা ‘সিকিউরিটি ম্যানেজার’ পদে পদায়নকৃত ওই মেজরের ইন্টারভিউ নিতে গেলে তিনি ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে হাজির হননি বলেও বিমান সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রে জানা গেছে, মেজর অব. মুস্তাফা আল মনোজকে ম্যানেজার সিকিউরিটি পদে পদায়ন করা হলেও এভিয়েশন সিকিউরিটির ওপরে তার কোন দক্ষতা নেই। বিমানের কোন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি ইন্সট্রাকশন রয়েছে। আর তা হলো- এভিয়েশন সিকিউরিটির ওপর অভিঙ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তি না হলে এমন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া যাবে না। কিন্ত বিমান কর্তৃপক্ষ এ নিয়োগের তোয়াক্কা করেনি। এতে নিয়োগকৃত কর্মকর্তার একদিকে এভিয়েশন সিকিউরিটির বিষয়ে কোন অভিঙ্ঞতা নেই, অন্যদিকে নিয়োগকৃত অবসর প্রাপ্ত মেজর মুক্তাদিরের মধ্যে ধর্মীয় মৌলবাদের প্রভাব বিদ্যমান। এতে করে বিমান ও ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা হুমকির সন্মুখিন।
সূত্র জানায়, গত সপ্তাহে সিভিল এভিয়েশনের নিরাপত্তা বিশেঙ্ষরা এভিয়েশন সিকিউরিটির বিষয়ে পূর্ব নির্ধারিত সিডিউল মোতাবেক সিকিউরিটি ম্যানেজার পদে পদায়নকৃত ওই অবসরপ্রাপ্ত মেজরের সাক্ষাৎকার গ্রহণের জন্য বিমানের অপারেশন ভবনে গেলে তিনি তাদের তোয়াক্কা না করে তাদেরকে সাক্ষাৎকার দেননি। তার উর্ধতন কর্মকর্তার মাধ্যমে তাকে মোবাইলে ফোন করা হলে তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি। এভিয়েশন বিশেষঙ্ঞগণ অন্য একটি নম্বর থেকে তাকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করে জানান, তিনি এ সাক্ষাৎকারে আসতে পারবেন না। এতে সিভিল এভিয়েশনের বিশেষঙ্ঘগণ বিরক্ত সহকারে বিমানের অপারেশন ভবন ত্যাগ করেন।