স্টাফ রিপোর্টার: গত ২৫ গত ২৫ তারিখ জেনারেটর স্থাপন নিয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে দায়েরকৃত মামলার তারিখ নির্ধারিত ছিল।
এই দিন মিহির চাঁদ দে, মোঃ হাসান জহির, মোঃ শহিদুল ইসলাম মন্ডল এবং মোঃ শাহাবুদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। পক্ষান্তরে মোহাম্মদ শহীদুল আফরোজ এবং ভবেশ চন্দ্র সরকার বরাবরের মতো বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে অনুপস্থিত থাকেন এবং তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা করার জন্য সময় প্রার্থনা করেন। পক্ষান্তরে, মোঃ শহিদুল ইসলাম মন্ডল তার আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান মামলাটি বিলম্বিত হওয়ার কারনে তিনি বহুবিধভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন মামলাটি যাতে আর বিলম্ব করা না হয়, তার জন্য জেরা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন। এমতাবস্থায়, আদালত পরদিন সকাল ১১ টায় জেরা সমাপ্ত করার জন্য এবং জেরা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত রেনডম জেরা করার জন্য সময় নির্ধারণ করেন। রহস্যজনক কারণে মিহির চাঁদ দে, মোঃ শাহাবুদ্দিন, মোঃ হাসান জহির রাতেই অতি গোপনে ঢাকায় ফিরে যান। পরদিন ২৬/১১/২০২৫ খ্রিস্টাব্দ যথাসময়ে সকলকে অনুপস্থিত দেখতে পেয়ে আদালত উস্মা প্রকাশ করেন এবং এটা সরাসরি আদালতের প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির হুমকি দেন। এমতাবস্থায়, আইনজীবীগণ তাদের স্ব স্ব মোয়াক্কেলদের পক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তাদের অনুপস্থিতিতেই জেরা পরিচালনা করার অনুরোধ জানান।
একমাত্র শহিদুল ইসলাম মন্ডল উপস্থিত আছেন জানানোর পর আদালত অনুপস্থিত আসামিদের এবারের মতো ক্ষমা করে দেন এবং জেরা করার সুযোগ দেন।
শহীদুল আফরোজ কিছু দিনের অতিরিক্ত দায়িত্বে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব পাওয়ার পর আদালতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের জন্য হাজিরা মওকুফের আবেদন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে অতিরিক্ত দায়িত্ব বাতিল হলে এবং বর্তমানে কোন দায়িত্বে নিয়োজিত না থাকলেও তিনি তা আদালতকে অবহিত করেননি এবং এই তথ্য অদ্যাবধি গোপন করে আছেন।
একমাত্র শহিদুল ইসলাম মন্ডল ব্যতীত সকলেই মামলা বিলম্বিত করার চেষ্টা করছেন।
