বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়নে ১৮ জন ব্যবসায়ীকে নিষিদ্ধ করার পরও তারা সক্রিয়। তাদের লাইসেন্স লক করা হয়েছে বলে একজন সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা জানান। তিনি জানান, কুরিয়ারের খাচার লাইসেন্স দেয় ডাক বিভাগ ও শ্রম অধিদপ্তর, কাস্টমস কুরিয়ার খাচার লাইসেন্স দেয় না, কাস্টমস সিএন্ডএফ লাইসেন্স দেয়। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, কোন পার্টি আমেরিকা থেকে কোন খাচাকে পণ্য খালাসসহ টাকা পরিশোধ করার পর সংশ্লিষ্ট খাচা তা খালাস করে থাকে, তাদের সেলফ লাইসেন্স থাকে। কোন খাচাওয়ালা সিএন্ডএফ লাইসেন্স ছাড়া পণ্য খালাস করে না।
ডেলিভারি কি-পয়েন্টে দায়িত্ব পালনকারি ওই কর্মকর্তা আরো জানান, প্রতিদিন ট্যাক্স ফাকি দেয়া পণ্য আটক করে জরিমানা আদায় করা হচ্ছে, এসির কাছে পাঠানো হচ্ছে, মরিয়াম এন্টারপ্রাইজ কত টাকা জরিমানা দিয়েছে –এটা এসি স্যার বলতে পারবেন।ওই কর্মকর্তা ঈদের আগে ৬৫ লাখ টাকার ট্যাক্স ফাকি দিয়ে খালাসের সময় আলি এন্টারপ্রাইজের কবল থেকে তা জব্দ করেন।
এ ব্যাপারে গত ২৬ মে সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে এসির সেল ফোনে কল করলে বলা হয়, সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এ দিকে সাড়ে ৬ লাখ টাকা জরিমানা দেয়ার কথা অস্বীকার করেছেন মারিয়াম এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার বেলায়েত হোসেন। তবে কাস্টমস হাউজে বিষয়টি চাউড় হয়ে গেছে। সিএন্ডএফ এজেন্টরা বলে বেড়াচ্ছেন, মারিয়াম এন্টারপ্রাইজ লাখ লাখ টাকা জরিমানা দিয়েও প্রতিদিন শতাধিক বিলঅব এন্ট্রিতে পণ্য খালাস করছে। তবে একদিনে ৮৭৫ বিল অব এন্ট্রিতে পণ্য খালাসের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মারিয়াম এন্টারপ্রাইজ। ডিপিএক্স খাচা থেকে নিজে নতুন খাচার মালিক নাজির ট্যাক্স ফাকি দিয়ে দিব্যি ব্যবসা – গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
