স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস নজরুল ইসলাম নামের একজন রাজস্ব কর্মকর্তার নামে দুদক মামলা করেছে।মামলা থেকে তার স্ত্রী সানজিদাও বাদ যায়নি। আরেক মহিলা রাজস্ব কর্মকর্তা শারমিন আকতার লিসার স্পীডমানির নামে ঘুষ বাণিজ্য জমজমাট।তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না ঢাকা কাস্টমস হাউজ কর্তৃপক্ষ।
এ দিকে মূল্যমানি গুদামে দীর্ঘ দেড় বছর যাবত কর্মরত থাকার পর দুই কাস্টমস সিপাই সুজা খন্দকার ও মেহেদী হাসানকে ঢাকা কাস্টমস হাউজে বদলি করা হয়। এর মধ্যে সুজাকে ডিউটি দেয়া হয় গ্রুপে আর মেহেদী হাসানকে দেয়া খোদ কমিশনারের দপ্তরে। বিষয়টি জানাজানি হলে মেহেদীকে কমিশনার দপ্তর থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। তাকে প্রথমে গ্রুপে পরে ডিসি সমরজিত দাসের দপ্তরে ডিউটি দেয়া হয়। এর মধ্যে সুজাকে আবার হাউজের আরেক ইউনিট শাহজালাল বিমানবন্দরে বদলি করা হয়। সুজা ঘুরে-ফিরে হাউজ টু এয়ারপোর্ট ডিউটি করছে।
রাজস্ব কর্মকর্তা লিসার ঘুষ বাণিজ্য: ঢাকা কাস্টমস হাউজে গ্রুপে কর্মরত শারমিন আকতার লিসার স্পীডমানির নামে ঘুষ বাণিজ্য জমজমাট। ঘুষ না নিয়ে তিনি কোন পেপারসে সই করেন না বলে সিএন্ডএফ সরকাররা জানান। তার সাথে ডিউটি করছে সিপাই জাহাংগীর এবং বহিরাগত গনি। তবে এ ২ জনকে তিনি পাত্তা দেন না, নিজ হাতে ঘুষের টাকা হাতিয়ে নেন বলে সিএন্ডএফ সরকাররা জানান। এটা প্রতিদিনের রেওয়াজ।
রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুলের বিরুদ্ধে দুদকে মামলা : ঢাকা কাস্টমস হাউজে এক্সপোর্টে কর্মরত রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদক দুর্নীতির মামলা দায়ের করেছে। তাকে কর্তৃৃপক্ষ এখনও সাসপেন্ড করেনি।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
