বিমান : ভিজিট ভিসায় মালয়েশিয়াগামী যাত্রীদের বিমান ব্যাংকক ফ্লাইটে অবৈধভাবে পাচার : ধরা খেল ৫ জন : তদন্ত কমিটি : ধামাচাপা দেয়ার পায়তারা : হায়দারের নেতৃত্বে শক্তিশালী সিবিএ সিন্ডিকেড

স্টাফ রিপোর্টার : দেখানো হয়েছে ৫ জন যাত্রী অফলোড, কিন্ত আগেই তাদের বিমানের ফ্লাইটে ওঠিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছে, বিজি-৩৮৮ বিমানটি উড়াল দেয় ব্যাংকক-মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে । ব্যাংককে বিমানটি অবতরণের পর ওই ৫ জন ভিজিট যাত্রী ধরা পড়ে। শুরু হয় তোলপাড়। প্রশ্ন উটে ৫ জনকে অফলোড দেখানো হলো, তারা কিভাবে ওই ফ্লাইটে ব্যাংককে এলো? ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৮ সেপ্টেম্বর। এ যেন আরেক জুনায়েদ কাহিনী!বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিসে ডেক্সে কর্মরত গ্রাউন্ড সুপার এবং জুনিয়র অফিসাররা মিলে দীর্ঘদিন যাবত ভিজিট ভিসায় মানব পাচার করছে। গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিমানে এয়ারপোর্ট সার্ভিসে কর্মরত জিএম নজরদারি করছেন। কিন্ত কাংক্ষিত ফলাফল আসছে না। কারণ বেড়ায় ক্ষেত খায়। আর এদের চক্ষুশুলে পরিণত হয়ে ব্যক্তিগত চরিত্র নিয়ে, বিমানের বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে একাধিক বেনামি চিঠি ছাড়া হচ্ছে। সরকারি সার্কুলারে বেনামি চিঠির তদন্ত না করার নির্দেশনা থাকলেও বিমান প্রশাসন অতি উৎসাহিত হয়ে তা তদন্ত করছে। কিন্ত মানব পাচারে যারা জড়িত তাদের ব্যাপারে তদন্ত হচ্ছে না, এক্ষেত্রে প্রশাসন নীরব।
গ্রাউন্ড সার্ভিস সুপারদের পাশাপাশি এবার জুনিয়র গ্রাউন্ড সার্ভিস অফিসার, শক্তিশালী সিবিএ নেতা ঈসমাইল, হায়দার, মামুনের নেতৃত্বে অফলোড দেখিয়েও ভিজিট ভিসায় ৫ যাত্রীকে ব্যাংকক পর্যন্ত পাচার করা হয়, সেখান থেকে ওই ৫ জনকে মালয়েশিয়া পাচার করা হতো। কিন্ত বিধি বাম, তারা ব্যাংককেই ধরা খেল। তারা ট্রাভেল করলেও বিমান কর্তৃপক্ষের কেউ সময়মতো জানলো না। জানলো ঘটনা ঘটার পর!
ওই ৫ জন ব্যাংকক গেলে ট্রানজিট বিষয়টি ধরা পড়ে। খতিয়ে দেখা হয়, যাত্রী মেনোফেস্ট , কারণ তালিকায় ওই ৫ জনের নাম ছিল না। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পেরেছে। এর সাথে সংশ্লিষ্টতায় তদন্ত সংস্থা জানতে পেরেছে শক্তিশালী ৩ সিবিএ নেতা হায়দার, ঈসমাইল, মামুন এবং ডেক্সে কর্মরত গ্রাউন্ড সুপার রাজন, সানোয়ার,সাখাওয়াত, আামিন,মশিউর, তৌফিক সিন্ডিকেড।

দেখানো হয়েছে ৫ জন যাত্রী অফলোড, কিন্ত আগেই তাদের বিমানের ফ্লাইটে উঠিয়ে বিসয়ে রাখা হয়েছে। বিজি ৩৮৮ বিমানটি গত ১৮ সেপ্টেম্বর ওড়াল দেয় ব্যাংকক-মালয়েমিয়ার উদ্দেশ্যে। ব্যাংকক বিমানটি অবতরণের পর ওই ৫ জন ভিজিট যাত্রী ধরা পড়ে। প্রশ্ন উঠে ৫ জনকে অফলোড দেখানো হলে কিভাবে তারা ওই ফ্লাইটে ব্যাংকক এলো। ঘটনাটি ঘটেছে ১৮ সেপ্টেম্বর। বিমানের গ্রাউন্ড সার্ভিসে ডেক্সে কর্মরত গ্রাউন্ড সার্ভিস সুপার এবং জুনিয়র অফিসাররা মিলে দীর্ঘদিন যাবৎ মোটা টাকার বিনিময়ে ভিজিট ভিসায় মানব পাচার করছে। গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিমানের এয়ারপোর্ট সার্ভিসে কর্মরত জিএম নজরদারি কারছেন। কিন্তু কাংঙ্খিত ফলাফল আসছে না। রাজনৈতিক ও প্রশাসানিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা চালিয়ে যাচ্ছেন এই ব্যবসা। যারাই তাদের বিরুদ্ধে কথা বলছে তাদেরকে দিচ্ছেন মেরে ফেলার হুমকি এবং করছেন নানা ধরনের হয়রানি। এদের চক্ষুশুলে পরিনত হয়েছেন জনাব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন,সহাকারী ব্যবস্থাপক প্রশাসন। ব্যাক্তিগত চরিত্র নিয়ে, বিমানের বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে বেনামি চিঠি ছাড়া হচ্ছে। সরকারী সার্কুলারে বেনামি চিঠি তদন্ত না করার নির্দেশনা থাকলেও বিমান প্রশাসন অতি উৎসাহিত হয়ে তা তদন্ত করছে। কিন্তু মানব পাচারের যারা জড়িত তাদের ব্যাপারে তদন্ত হচ্ছে না, এক্ষেত্রে প্রশাসন নীরব।

সূত্র মতে জানা যায়, এই ঘটনা ঘটে বিমানে বিজি ৩৪৭ ফাইটেও। যেখানে ৫ জন নারী যাত্রীকে মিথ্যা চাকুরীরর প্রলোবনে পাচার করার পায়তারা করে । জনাব আনোয়ায়ার হোসেনের হস্তক্ষেপে রক্ষা পায় ৫ নারী যাত্রী। যাদেরকে ভিজিট ভিসায় পাঠানোর চেষ্টা করা হয় । পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস ও তথ্য না থাকায় তাদেরকে অফলোড করা হয়। জানা যায়, বিমানের দুবাই ও অন্যান্য ফ্লাইটে প্রতিনিয়ত এভাবে নারীদের ভিজিট ভিসায় প্রেরণ করা হচ্ছে। প্রশাসন সব জেনেও নিশ্চুপ।

গ্রাউন্ড সার্ভিস সুপাররদের পাশাপাশি জুনিয়র গ্রাউন্ড সার্ভিস অফিসার, শক্তিশালী সিবিএ নেতা ঈসমাইল, হায়দার, মামুন, সাখাওয়াত অফলোড দেখিয়ে ভিজিট ভিসায় ৫ জন যাত্রীকে ব্যাংকক পর্যন্ত পাচার করা হয়, সেখান থেকে ওই ৫ জনকে মালয়েশিয়া পাচার করা হতো। কিন্তু জনাব আনোয়ার হোসেনের হস্তক্ষেপে তারা ব্যাংককেই ধরা খেল। ্ওই ৫ জন ব্যাংকক গেলে ট্রানজিট এ বিষয়টি ধরা পড়ে। খতিয়ে দেখা হয় যাত্রী মেনোফেষ্ট, কারণ তালিকায় ওই ৫ জনের নাম ছিল না। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা চানতে পারে। এর সাথে সংশ্লিষ্টায় তদন্ত সংস্থা জানতে পেরেছে শক্তিশালী সিবিএ নেতা হায়দার, ঈসমাইল, মামুন এবং ডেস্কে কর্মরত গ্রাউন্ড সার্ভিস সুপার রাজন, সানোয়ার, সাখাওয়াত, আমিন, মশিউর, তৌফিক সিন্ডিকেট। সব কিছু জেনেও প্রশাসন এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। এদিকে মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের কারণে তাদের কর্মকান্ডে ব্যাঘাত ঘটায় মৃত্যু হুমকি দিচ্ছে বলে জানা যায়।