বেবিচক : কল্যাণ কমিটির নির্বাচন শেষ: আওয়ামী দোসর-জামায়াত দোসরদের নিয়ে ওয়েলফেয়ার কমিটি গঠনের দ্বার প্রান্তে: ১৭ বছর যাবত সেলিম শাহজালালে বহাল : তাকে বদলি করে এমন সাধ্য কার?

বেবিচক : কল্যাণ কমিটির নির্বাচন শেষ: আওয়ামী দোসর-জামায়াত দোসরদের নিয়ে ওয়েলফেয়ার কমিটি গঠনের দ্বার প্রান্তে: ১৭ বছর যাবত সেলিম শাহজালালে বহাল : তাকে বদলি করে এমন সাধ্য কার?
স্টাফ রিপোর্টার : বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ– বেবিচকে ২৬ জুন ১১টি শাখায় নির্বাচনের অফিস আদেশ জারি থাকলেও শাহজালালে নিরাপত্তা শাখায় ৯ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩৪৬ ভোট পেয়ে জামায়াত সমর্থিত আশরাফ বিজয়ী হয়েছে। আওয়ামী দোসর আরিফ দ্বিতীয় হয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেয়া সবাই শাহজালালে দীর্ঘ দেড়যুগ ধরে কর্মরত। ফলে মানব পাচারসহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছেন বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে। আশরাফ, আরিফ, কালাম, ফরিদ, গাজি তোফায়েল, গাজি আজাদ, মিজানুর রহমান, সাঈদ, জিন্নাহসহ অর্ধশত নিরাপত্তাকর্মী দীর্ঘ দেড়যুগ শাহজালালে কর্মরত থাকার সুবাধে মানব পাচার, অন্যান্য পাচারে জড়িত বলে গোয়েন্দা সংস্থা তাদেরকে বিমানবন্দর থেকে বদলির সুপারিশ করলেও তারা বীরদর্পে শাহজালালেই বহাল। অন্যান্য সংস্থার জনবলও এদের অন্যতম সহযোগি।
এ দিকে গত ১৭ বছর যাবত সেলিম শাহজালাল কর্মরত। ওয়েলফেয়ার অফিসার, স্যাটো, বর্তমানে শাহজালাল ডমেস্টিক ম্যানেজার, সৌদি মসজিদের ক্যাশিয়ার। তাকে রহস্যজনক কারণে শাহজালাল থেকে বদলি করা হয় না। ফলে বিভিন্ন অনৈতিক কাজের সাথে গাভাসিয়ে চলছেন।
সেলিম অনেকটা ডেমকেয়ার, তাকে শাহজালাল থেকে বদলি করে এমন সাধ্য কার? শাহজালালের প্রশাসন, কেন্দ্রীয় প্রশাসন তার ম্যানেজেজ। তার বিরুদ্ধে মায়ের জমি লিখে নেবার কথাও শোনা যায়।
সেলিম , এডি ইউসুফ মিলে এবার শাহজালালে কন্টাক্টরি শুরু করেছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। যদিও এডি ইউসুফ তা অস্বীকার করেছেন।
এ দিকে কল্যাণ কমিিিটতে কোন কোন শাখায় নির্বাচন না হয়ে আওয়ামী দোসরদের নিয়ে সিলেকশন হয়েছে। পরিচালক প্রশাসনের গাড়ি চালক এমটির শাহ আলম ভুইয়া কলকাঠি নাড়ছেন বলে শোনা যায়।
বেবিচকে শাহজালালসহ , সদর দপ্তরে একাধিক কমচারি-কর্মকর্তা একযুগ থেকে দুইযুগেরও বেশি সময় কর্মরত থাকলেও তাদের বদলি করা হয় না।
সেলিম এদেরই একজন। সহকারি পরিচালক ইউসুফের চাকরি ২০২৪ সালে হলেও তাকে শাহজালালের মতো গুরুত্বপূর্ন বিমানবন্দরের প্রশাসন শাখায় দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছে। প্রশিক্ষণ পিরিয়র্ড থেকেই তিনি শাহজালালেই আছেন।
আওয়ামী দোসর ,আওয়ামী নেতা আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর এক সময়কার পিএস, সে সুবাধে বেবিচকে চাকরি –সেই তিরান হোসেনকেও সদর দপ্তরের প্রশাসনে দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছে, তাকেও বদলি করা হয় না। আওয়ামী দোসর কেরানি জাহিদ জামালপুর এখনও প্রশাসনে বহাল। কেরানি হাফিক-সায়েদুর দীর্ঘদিন যাবত প্রাইজ পোস্টিংয়ে একই পোস্টে বহমান, তাদেরও বদলি করা হয় না।