স্টাফ রির্পোটার: বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ-বেবিচকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান দুদকের ডাকে হাজিরা দিতে গেলে তাকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ০২ ফেব্রুয়ারি। তার বিরুদ্ধে ০৪টি মামলা করেছে দুদক, তিনি মামলার ৬ নম্বর আসামী। এ সকল মামলায় মোট আসামী ১২ জন । এদের মধ্যে বেবিচকের অবসরে যাওয়া চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী মো.আব্দুল মালেক। কিন্ত এরা ধরাছোয়ার বাইরে। তবে প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান গ্রেফতার হবার পর তারা নাকি আত্মগোপনে আছেন।
বেবিচকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান একজন মেধাবী, দক্ষ ও যোগ্যতাসম্পন্ন প্রকৌশলী। নীতি ও নৈতিকতার ব্যাপারে তিনি আপোষ করতেন না। তবে সাবেক বিমান সচিব, বর্তমানে কারারুদ্ধ মহিবুর রহমানের সাথে তার সুসম্পর্ক ছিল বলে অনেকে বলে বেড়ান।
প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান সিলেট এয়ারপোর্টের পিডি, ডিভিশন-৩-এর তত্বাবধায়ক প্রকৌশী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার সহধর্মিণীও গণপূর্তের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে প্রধান প্রকৌশলী হবার দৌড়ে ছিটকে পড়েন, যদিও তিনি বংগবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদ করতেনঅ
সূত্রে জানা যায়, মেধা ও যোগ্যতাসম্পন্ন প্রকৌশলী হাবিবুর রহমানকে বেবিচকের একটি অসম্পন্ন প্রকল্পে পিডি করার সুপারিশ করেন বুয়েট বিশেষঙঘ দল। আর এতে নাকি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বেবিচকের সাবেক ২ প্রধান প্রকৌশলী গোস্বামি,মালেক এবং থার্ড টার্মিনালের সাবেক পিডি দুদকে অভিযুক্ত মাকসুদ। নেপথ্য কারণ হলো হাবিবকে যদি পিডি করা হয় তাহলে গোস্মামি, মালেক, মাকসুদ আর চুক্তিভিত্তিক আর পিডি হতে পারবেন না। তাই বুয়েটের সুপারিশ-ই নাকি হাবিবের জন্য কাল হয়ে দাড়ায়, তাকে ডেকে নিয়ে নাকি আটকে দেয়া হয়-এমন গুনজন শোনা যাচ্ছে। তবে ১২ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হলেও একাই হাবিব গ্রেফতার হলেন, বাকিরা কি ধরাছোয়ার বাইরে -এমন প্রশ্ন বেবিচকে ঘুরপাক খাচ্ছে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরে জেনারেটর দুর্নীতির মামলার পরবর্তী তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি : বহুল আলোচিত কক্সবাজার বিমানবন্দরের জেনারেটর দুর্নীতির মামলার সাক্ষীদের জেরার তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি/২৬। বার বার মামলার আয়ু ( তদন্ত কর্মকর্তা) দুদকের উপপরিচালক মাহবুবুল হক আদালতে হাজির হচ্ছেন না, সাক্ষ্য দিচ্ছেন না, ফলে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা যায়। এ মামলার আসামিরা গত ১৭ জানুয়ারি আদালতে হাজির হলেও ভবেশ বার বার আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন না বলে জানা যায়। তিনি মামলার আসামী হয়েও ফুল পেনশন নিয়ে বেবিচক ত্যাগ করেন। কিন্ত অন্য ২ জন আফরোজ, মিহিরকে পেনশন দেয়নি বেবিচক।
