বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর দিয়ে মানব পাচারের অভিযোগে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের পর এবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সিভিল এভিয়েশনের ২৮ জনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এদের মধ্যে কুখ্যাত মানব ও স্বর্ন পাচারকারি, নারি ও শিশু পাচারকারির অনেকের নাম বাদ পড়ে যায়। ২১ নারি ও শিশু মামলার আসামিরা তালিকার বাইরে থেকে যায়।যা তদন্ত করলেই বের হয়ে আসবে। তালিকাভুক্ত ‘আব্দুল মতিন’ নাম নিয়ে তদবির শুরু হয়। জোরালো তদবিরে আব্দুল মতিনকে ডিউট অন- অফের বা বহালের তালিকায় রাখা হয়। বলির পাঠা বানানো এলপিআরে যাওয়া আরেক গার্ড মতিন পটোয়ারিকে। স্বর্ন ও মানব পাচারকারি- যার নাম পাচার তালিকায় এসেছে- যাকে নিয়ে পত্রপত্রিকায় সোনা রফিক শিরোনাম করেছে- সিএটিসিতে কর্মরত সেই গার্ড রাফিক ওরফে সোনা রফিকের ( নোয়াখালি) ডিউটি অফ করা হয়নি, কেড়ে নেয়া হয়নি ‘ডি’ পাস। এ ভাবে এদের তালিকায় আরো যারা রয়েছেন তারা হলেন: গার্ড সোহেল রানা,( পাবনা), আব্দুল মতিন ,( খিলক্ষেত), সাইফুল ইসলাম, পিতা- মালেক বেপারি, আসাদুজ্জামান খোকন, বাবুল চন্দ্র দাস, সাখাওয়াত হোসেন তুহিন ( ইয়াবা পাচার মামলায় পলাতক), অপারেটর দীপক এবং শাহাদৎ হোসেন শাহিন।
সিএএবির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই ১০ জনের থেকে মোটা অংকের ঘুষ হাতিয়ে নিয়ে এদের ডিউটি অফ করা হয়নি।
এ দিকে যে ১৮ জনের ডিউটি অফ করা হয়েিেছল গত ২ সেপ্টেম্বর তাদের ‘ডি’ পাস ফেরত দেয়া হয়েছে। এদেরকে টার্মিনাল ভবনের বাইরে ডিউটি তালিকা করে ডিউটি দেয়ার পায়তারা করা হচ্ছে। এতে কি মানব পাচার বন্ধ হবে?
