সিএএবি : নিয়োগ বাণিজ্য, লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া বলিরপাঠা পিএ হানিফা বহাল , হলো না বিভাগীয় মামলা

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনের নিয়োগ বাণিজ্যের হোতা –যার মাধ্যমে প্রশাসনের কি-পয়েন্টে কর্মরতরা লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্য করেছে, ৬ ভুয়া চাকরি প্রার্থী আটকের পরও এদেরেকে চাকরি দেয়া হয়েছে, ফাইলে সই করা নিয়ে সংস্থার দুই সদস্যেও মধ্যে মনোমালিন্য হয়েছে, পরিচালক প্রশাসনের পিএ হানিফাকে বলিরপাঠা বানিয়ে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে।তৎকালিন ওই সদস্য প্রশাসন এবং পরিচালক প্রশাসনের মধ্যে নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে রেষারেষির জের ধরে পরিচালককে বদলি করা হয়েছে, সদস্য প্রশাসনকে দুই দুইবার বদলির পরও ৬ মাস অতিবাহিত করে অবশেষে চলে গেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত মে ২০১৮ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সময় ইনজিন ড্রাইভার পদে আবুল কালাম লিখিত পরিক্ষায় প্রথম হলেও তাকে না নিয়ে সদস্য প্রশাসনের পছন্দের প্রার্থী কাজী ফাহাদ, পিতা- কাজী আজমল হোসেনকে নিয়োগ দেয়ার সময় ঘুষ বাণিজ্যের কথা ফাস হওয়ার ভয়ে পরিচালকের পিএ আবু হানিফাকে বলিরপাঠা বানিয়ে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়নি।
খোজখবর নিয়ে জানা গেছে, কেরানি আবু হানিফাকে চাকরি দেয় সাবেক উপপরিচালক মরহুম মাকসুদ। তখন স্বপন নামের একজন কথিত সাংবাদিক পরিচয়ধারি এ ব্যাপারে কলকাঠি নাড়েন। ওই স্বপন এখন পুলিশের কর্মকর্তা। তার ভাই কেরানি হানিফা ওই পুলিশ কর্মকর্তার দাপট দেখায়।
ইনজিন ড্রাইভার পদ প্রার্থী আবুল কালাম- যিনি লিখিত পরিক্ষায় প্রথম হয়েছিল তার থেকে পিএ আবু হানিফা ৫ লাখ টাকা হানিয়ে নিয়েছে। আজও সে টাকা ফেরত দেয়নি।কেরানি আবু হানিফা এভাবে চাকরি দেবার নাম করে ১৫/২০ জনের থেকে ৫ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। কিন্ত কেরানি আবু হানিফার বিরুদ্ধে সিএএবি প্রশাসন নির্বিকার, তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা পর্যন্ত হয়নি। শুধু বলিরপাঠা বানিয়ে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়েছে। ওই সময়ের নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে তদন্ত করলেই কেচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে।