বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানিরোধে বার বার গণ শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রতিবারই যাত্রীশূন্য গণ শুনানি হচ্ছে। এ নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীরা সিএএবির চেয়ারম্যানকে প্রশ্নও করেছেন, সঠিক উত্তর দিতে সাবেক চেয়ারম্যান বিব্রতবোধ করেছেন। এবার আবার খোদ শাহজালাল বিমানবন্দরেই যাত্রী হযরানিরোধে ২৭ অক্টোবির গণ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে, আয়োজন করেছে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ। সিএএবির নয়া চেয়ারম্যান এ আয়োজনের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্ত এ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচার চোখে পড়ার মতো নয়। পিআরও বসে আছেন তার প্রতিদিনের রুটিন ওয়ার্ক প্রেস ক্লিপিং নিয়ে। চেয়ারম্যানের এ মহৎ উদ্যোগকে সাফল্যমন্ডিত করার জন্য প্রেসের যতটুকু কভারেজ পাওয়া প্রয়োজন- সে ব্যবস্থা নিতে পিআরও‘র উদ্যোগ বার বারই ভেস্তে যাচ্ছে। ২৭ অক্টোবরের গণ শুনানির মিডিয়া কভারেজ পাবার জন্য পিআরও কতটুকু উদ্যোগ নেন তা দেখার বিষয়।
গত চেয়ারম্যানের আমলেও দুই দুইবার গণ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। একবার যাত্রী ছাড়া গণ শুনানি, আরেকবার গণ মাধ্যমে লেখালেখির পর যাত্রী নিয়ে গণ শুনানি। এবার আবার কি ধরনের গণ শুনানি হয় –তাও দেখার বিষয়।
যাত্রী হয়রানিরোধে সচেতনা, বার বার গণ শুনানি, বিমান প্রতিমন্ত্রীর ১০০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণার মধ্যেও শাহজালালে যাত্রী হয়রানি শতভাগ বন্ধ হয়নি। এ নিয়ে গণ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। ভিন্নমত পোষণ করেছেন এপিবিএন পুলিশের মিডিয়া বিভাগ।
এ দিকে শাহজালালে যাত্রী হয়রানিরোধে, শতভাগ আইনশৃংখলা বজায় রাখার জন্য সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারি জোরদার করেছে। ওই সংস্থার সদস্যরা যাত্রী হয়রানিরোধে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন মাদক ‘খাত,সহ যাত্রীর পেটের ভিতর থেকে ইয়াবা বের করে আনছে, পিসি, জাল পাসপোর্টে মানব পাচাররোধে যাত্রী অফলোড করছে। ওই সংস্থার তৎপরতায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের কর্তৃৃপক্ষকে মুচলেকা দিয়েছে মানব পাচারজনিত পাসপোর্টে অর্থাৎ গলাকাটা পাসপোর্ট, দুইনম্বরি ভিসায় সীলার না করতে। এতে সুফল আসছে। ভুয়া ডকুমেন্টে মানব পাচার রুখে যাচ্ছে, অহরহ এসব যাত্রী অফলোড হয়ে কেউ কেউ আটক হচ্ছে।
সূত্রমতে গত ৪ অক্টোবর ভিজিট ভিসায় ৪ মানব পাচারে সহায়তা করে এভসেক সদস্যরা। ইমিগ্রেশন পুলিশ তা রুখে দেয়। ওই ৪ জনের জন্য কাতার এয়ার লাইন্স থেকে বোর্ডিং কার্ড তদবির করে যোগাড়ও করে এভসেক সদস্যরা। কিন্ত ইমিগ্রেশন পুলিশ পাসপোর্টে সীল না মারার ওই ৪ জনের যাত্রা অফলোড হয়েছে। এ ব্যাপারে সিএএবির নিরাপত্তা শাখায় লুজনোট হয়েছে। এর সাথে মধ্যস্থতাকারি ৪ জন এভসেক সদস্য‘র ডিউটি সাময়িক অফ করার পর আবার তাদের ডিউটি বহাল করা হয়েছে।
এ দিকে মানব পাচারে জড়িত সিএএবির ২৮ জনসহ বিভিন্ন সংস্থার শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারির ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সত্বেও জোরালো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ঢিলেঢালা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিলেও তা আমল পায়নি। মানব পাচার করতে গিয়ে বাংলাদেশ বিমানের গ্রাউন্ড সুপার কাজি গিয়াস উদ্দিন গত ২২ অক্টোবর গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্ত বিমানের ট্রাফিক সুপার সংখ্যলঘু সুমন এখনও ধরাছোয়ার বাইরে।
এ ব্যাপারে বিমানের জিএম এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান, মানব পাচারে তালিকাভুক্তদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
