বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে ডিডি প্রশাসনের তেলেসমাতিতে ৪ বছর পর্যন্ত একজন স্যানেটারি পরিদর্শককে দিয়ে সদর দপ্তরের নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করানো হচ্ছিল। এতে করে এক দিকে যেমন উচ্চ অফাদালতের আদেশ লংঘিত হচ্ছিল অন্যদিকে ডিডি প্রশাসনের চরম ক্ষমতার বহি:প্রকাশ ঘটে। এ ক্ষেত্রে যুক্ত হয় একজন প্রভাবশালী নিরাপত্তা অফিসার –যিনি দীর্ঘসময় সদর দপ্তরে কর্মরত।
এ নিয়ে একুশ শতকের কাগজ ‘একুশে বার্তার’ অনলাইন সংস্করণে ‘ক্লিনার ইন্সপেক্টর চালায় হেড কোয়ার্টারের নিরাপত্তা’ শিরোনামে খবর প্রকাশের পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে। ওই ক্লিনার ইন্সপেক্টরকে ডেকে নিয়ে জিঙ্ঘাসাবাদ করা হয়। তাকে দিয়ে একখানা চেয়ারম্যান বরাবর আবেদনও করানো হয়, যদিও এর আগে করা বহু আবেদন আমলে নেননি ডিডি প্রশাসন, তার দপ্তর থেকেই এ সব আবেদন হাওয়া হয়ে যায় বলে ভুক্তভোগী জানান।
অবশেষে ৪ বছর পর ওই স্যানিটারি ইন্সপেক্টরকে তার স্ব পদে শাহজালাল বিমানবন্দরের ক্লিনার সেকশনে পাঠানোর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এ ব্যাপারে দাপ্তরিক চিঠি তার হস্তগত হয়েছে বলে জানা যায়।
আর দীর্ঘদিন ধরে ফায়ার সেকশনের আশিককে দিয়ে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের দায়িত্ব পালন করানোর পর তাকে তার স্ব পদে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
তবে শাহজালালের মতো ক্যাপিআই এলাকায় সেলিম নামের এক কর্তাব্যক্তিকে দিয়ে ‘ডবল’ ডিউটি করানো হচ্ছে দীর্ঘদিন যাবত।এটা ডিডি প্রশাসনের তেলেসমাতি বলে জানা যায়।
এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সেলিম নামের ওই ওয়েলফেয়ার অফিসার জানান, কর্তৃপক্ষ আমাকে ডবল ডিউটি দিলে আমার করার কি আছে, এটা কর্তৃৃপক্ষের ব্যাপার।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
