সিএএবি : ফাইল রেডি, ঘুষ নিয়ে আসেন’ উক্তির সদস্য প্রশাসনের দপ্তরের সেই কেরানি হাফিজ এখনও বহাল : সদস্য প্রশাসনের খুটির জোর কোথায়?

বিশেষ সংবাদদাতা : ‘ফাইল রেডি, ঘুষ নিয়ে আসেন’ উক্তিকারক সদস্য প্রশাসনের দপ্তরে কর্মরত সেই কেরানি হাফিজ এখনও বহাল, তার বিরুদ্ধে তদন্ত আলোরমুখ দেখেনি।
এ দিকে সিএএবির সদস্য প্রশাসনের খুটির জোর নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। তিনি নাকি চেয়ারম্যানকেও থোরাইকেয়ার করেন। পরিচালক প্রশাসন, সদস্য অর্থ-এ দুই পদে দায়িত্ব পালন করার পরও তাকে বদলি করা হয়নি, এরপর তাকে সদস্য প্রশাসন পদে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এক ব্যক্তি ৩ পদে কিভাবে দায়িত্ব পালন করছেন, তাকে কেন সিভিল এভিয়েশন থেকে মন্ত্রণালয়ে ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে না, তার খুটির জোর কোথায় –তা নিয়ে সিএএবিতে প্রশ্ন খোরপাক খাচ্ছে। সিএএবিতে কর্মকর্তা- কর্মচারিরা বলে বেড়াচ্ছেন চেয়ারম্যান স্যারের সই না লাগলে তিনি চেয়ারম্যানের তোয়াক্কা করতেন না। তাকে বদলির প্রক্রিয়াও করছে না মন্ত্রণালয়।
এ ব্যাপারে সিএএবি মন্ত্রণালয়/ সিএএবির দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব নীরব। তাকে প্রথমে পরিচালক প্রশাসন পদে পদায়ন করা হয়। তার পর সদস্য অর্থ পদে পদায়ন করা হয়, এরপর তাকে সদস্য প্রশাসন পদে পদায়ন করা হয়। একই সংস্থায় একই ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ন ৩ পদে পদায়ন। তাহলে মন্ত্রণালয়ে আর কি কোন যোগ্যতাসম্পন্ন উপসচিব বা যুগ্ম সচিব বা অতিরিক্ত সচিব নেই- যাকে সিএএবির সদস্য প্রশাসন পদে পদায়ন করা যায়।কিন্ত বিমান মন্ত্রণালয় প্রশাসন এ ব্যাপারে নীরব।
এই সদস্য প্রশাসনের সময়ে সিএএবিতে ১৬শ’ লোকের নিয়োগ বিঙপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, তিনি নাকি ১৬ শ’ লোকের নিয়োগ দিয়ে তবেই সিএএবি ছাড়বেন।তার পিএ কেরানি হাফিজ নিয়োগ বাণিজ্যের পায়তারা করছেন বলেও শোনা যায়।
বর্তমান এ সদস্য প্রশাসনের আগে এ চেয়ারে বসা সরকারের অতিরিক্ত সচিব হেমায়েত হোসেনকে দুই দুইবার বদলি করা হয়। ্এর পরের জনকেও সিএএবি থেকে বদলি করা হয়।কিন্ত ব্যতিক্রম বর্তমান সদস্য প্রশাসন পদে কর্মরত কর্তাব্যক্তি।