সিএএবি : বিমানবন্দরের গোলচত্বরে মুক্তিযোদ্ধা অফিসের নামে লিজের জমিতে শেরজান আলির হোটেল ওয়ান্ডার-ইন ব্যবসা জমজমাট!

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে মুক্তিযোদ্ধা শেরজান আলি। সিভিল এভিয়েশনের সদর দপ্তরে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল অফিস আছে। এ সত্বেও হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে গোলচত্বরের ও সওজের এবং রেলওয়ের জমির কোল ঘেষে আরেক স্থাপনা সিএএবি থেকে লিজ নিয়ে শেরজান আলির নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা অফিসের নামে হোটেল ওয়ান্ডার-ইন গড়ে তুলেছেন। হোটেলের পাশেই মুক্তিযোদ্ধা অফিস। হোটেলের পাশে ১০/১২টি দোকান বসিয়ে মিনি মার্কেট গড়ে তোলা হয়েছে। হোটেলের পূর্ব পাশে মুক্তিযোদ্ধা অফিসের কোল ঘেষে ফলের মার্কেট গড়ে তোলা হয়েছে। আর এসবই হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা শেরজারন আলির নেতৃত্বে। মুক্তিযোদ্ধা অফিসের নামে সিএএবির সম্পত্তি শাখা থেকে যে পরিমাণ জায়গা লিজ নেয়া হয়েছে তার চেয়ে দ্বিগুণ জায়গা জবরদখল করে হোটেল মার্কেট গড়ে তোলা হয়েছে। হোটেল চালাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত-জাতীয় পাটি (মন্জু) স্থানীয় নেতারা। এর মধ্যে মরহুম হাজি আব্দুর রউফ মারা গেছেন। তাকে নিয়ে পত্রপত্রিকায় জিনির বাদশা বলে লেখািেখ করেছে। এখন মূল দায়িত্বে রয়েছেন জাতয়ি পাটি নেতা বকুল ,বিএনপির তারেক, সাহাবুদ্দিন। প্রতিদিন ওয়ান্ডার-ইন হোটেলে লাখ টাকার ব্যবসা চলছে।
এই হোটেল ওয়ান্ডার-ইন হোটেলের জন্য বিমানবন্দরের গোরচত্বওে প্রতিদিন ভয়াবহ যানজট লেগেই থাকছে। ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ হোটেলের জন্য যানজট লেগে থাকলেও- এ দিকে নজর দিচ্ছে না। সড়ক ও জনপথ এ ব্যাপারে নীরব। অথচ ওয়ান্ডার-ইন হোটেলটি গোলচত্বর থেকে সরিয়ে নিলে যানজট মুক্ত হবে বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকা, জনগণ নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারবে।
প্রশ্ন ওঠেছে মুক্তিযোদ্ধা শেরজান আলি কি জবাবদিহিতার বাইরে ? তা না হলে মুক্তিযোদ্ধা অফিসের নামে জমি লিজ নিয়ে কিভাবে বিমানবন্দরে প্রবেশমুখে হোটেল- মার্কেট গড়ে তুললো? এই হোটেল- মার্কেট ঘিরে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা থেকে সরকারকে ভ্যাট দেয়া হচ্ছে কি ? নাকি সবই লুটপাট চলছে?
শুধু মুক্তিযোদ্ধা অফিসের নামে হোটেল- মর্কেট নয় আশকোনা স্থায়ী হজ ক্যাম্পোর সামনে সিএএবির কয়েক বিঘা জমি মুক্তিযোদ্ধা শেরজান আলি লিজ নিয়ে বহুতল মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটই গড়ে তুলেছেন। এখানেও বিএনপি-জামায়াত-জাপাচক্র। ক্রমশ