বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনে কোন তদন্তই যথাসময়ে আলোরমুখ দেখে না, এখানে তদন্ত কর্মকর্তার রিপোর্টে মদ হয়ে যায় মধু, লন্ডন ফ্লাইটে ল্যাগেজে ‘ জিয়া বিমানবন্দরের লঘু সম্বলিত স্টীকার লাগালেও’ ঘটনার নায়ককে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে সদর দপ্তরে প্রাইজপোস্টিং দেয়া হয়। প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগের পরও কেরানি হাফিজের বিরুদ্ধে কমিটি করে তাকে সাসপেন্ড বা বদলি না করে সময়ক্ষেপণ করা হয়, ইএম বিভাগের ৬ প্রকৌশলীর দুদকের তলবি দাপ্তরিক চিঠি প্রশাসন থেকে গায়েব হয়ে যায়, ডিডি প্রশাসেনর পদটি ব্লাকবল করে রাখা হয়, আর ডিডি প্রশাসনই সিভিল এভিয়েশনের মালিক আর সবাই ভাড়াটিয়া- এমন ভাবলক্ষণ ফুটে ওঠে। অথচ ডিডি প্রশাসন পদটি কি বদলি অযোগ্য- তাও পরিস্কার নয়। সিএএবির আর্গানোগ্রামে এমন শর্ত আছে কিনা তাও কেউ বলতে পারে না। শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার পদটি বিলুপ্ত কিনা -তাও পরিস্কার করছে না- সিএএবি কর্তৃপক্ষ। অথচ এ পদে কাউকে দায়িত্বও দেয়া হচ্ছে না। এফসেকের পরিচালক নিরাপত্তা পদ সৃস্টি করে প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তার পদটিকে অবমূল্যায়ন করে রাখা হয়েছে। আবার নতুন করে ডিডি ( শাহজালাল) পদটিও অবমূল্যায়ন করার পায়তারা চলছে বলে কানাঘুষ চলছে। তাহলে সিএএবিতে কি সিভিল প্রশাসন থাকবে না – ধীরে ধীরে ওবে যাবে। এভাবেই চলছে সিভিল এভিয়েশন প্রশাসন। বর্তমান চেয়ারম্যান মহোদয় এসব থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলেও এখানে ‘কুমিল্লা ইজম’ কাজ করে বলে শোনা যায়।
‘ফাইল রেডি, ঘুষ নিয়ে আসেন’ এমন গুরুতর অভিযোগের পরও কেরানি হাফিজকে সদস্য (অর্থ)-এর দপ্তরে বসিয়ে রাখা হয়েছে। চাকরির শুরু থেকেই কেরানি হাফিজ সদর দপ্তরে দিব্যি চাকরি করলেও তাকে বদলি করা হয় না- উল্টো তাকে নিয়মনীতি লংঘন করে দায়িত্বভাতা দেয়া হয়। সিএএবিতে মন্ত্রণালয় থেকে প্রেষণে সরকারের উপসচিব/যুগ্ম সচিব/অতি. সচিবরা পরিচালক (প্রশাসন)/ সদস্যরা আসেন আবার চলেও যান কিন্ত কেরানি হাফিজ সব সময় বহাল থাকে। তার বিরুদ্ধে ঠিকাদারা শতকরা ৫ ভাগ ঘুষ নেয়ার অভিযোগ করলেও তা আমলে নেয়া হয় না। ফলে ঠিকাদাররা তার হাতে জিম্মি, অসহায়, কারণ ঠিকাদাররা ঠিকাদারি কাজ করতে হলে কেরানি হাফিজকে ৫ ভাগ ঘুষ দিয়েই কাজ করতে হয়। নইলে ফাইলে সই হয় না আর ফাইলে সই না হলে ঠিকাদাররা বিল পান না।
সদস্য (অর্থ)’র পছন্দের লোক এই কেরানি হাফিজ। পছন্দ করেই কেরানি হাফিজকে পিএ চেয়ারে বসানো হয়েছে। কেরানি হাফিজ নিজকে বিশেষ জেলার লোক বলে জাহির করে থাকে। এতে সে ক্ষমতার বাহাদুরি দেখায়। তার খুটির জোর নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেন।
এ দিকে নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাসিমা আকতারের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান বরাবর স্মাগলিং বাণজ্যিসহ অন্যান্য ব্যাপারে গোয়েন্দা রিপোর্টের পর সিএএবি কর্তৃপক্ষ ডিডি কম. মোাশাররফ হোসেনকে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করছেন না। শোনা যায় তিনি নাকি সময়ক্ষেপণ করে অনেকটা ম্যানেজ হয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেবেন। ডিডি মোশাররফ নাকি এ ব্যাপাওে অনেককে ডেকে নিয়ে কথা বলছেন।
এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নিরাপত্তা কর্মকর্তা নাসিমা আকতারের পুরনো কর্মস্থল কার্গোভিলেজে আবার কোকেন সদৃশ্য মাদক পাচারের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাও তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। চলবে
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
