বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনের ডিডি প্রশাসনের কথিত ভাগিনা হাকিম সোনা পাচার সংশ্লিষ্ট ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে মামলায় জেলে অন্তরীন। এ ঘটনায় শাহজালাল বিমানবন্দরের ‘বি’ পালায় কর্মরত ডেপুটি সিকিউরিটি অফিসার (ডিএসও) ফরিদ হোসেন এসফেক কর্তৃক লান্ঞিত হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। বিষয়টি সিএএবির চেয়ারম্যান পর্যন্ত গড়িয়েছে। চেয়ারম্যান বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ডিএসও ফরিদ হোসেন জানান, অনাকাংক্ষিত ঘটনার বিষয়ে মীমাংসার প্রক্রিয়া চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মে শাহজালাল বিমানবন্দরে স্বর্ন পাচারের অভিযোগে সিভিল এভিয়েশনের সদর দ্প্তরে কর্মরত কর্মচারি হাকিম ও সোনা বহন করে আনা যাত্রী গ্রেফতার হয়। জব্দ করা হয় সোনা ও জাল নিরাপত্তা পাস। এ ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। ঘটনাটি ঘটে ডিএসও মাহমুদার শিফটে।
এ ঘটনায় একটি লুজনোটে এফসেক পরিচালক ডিএসও ফরিদ হোসেনকে স্বাক্ষর করতে বললে তিনি তাতে অসম্মতি জানান এবং বলেন যে, ঘটনা আমার শিফটে না, অন্য শিফটের ঘটনার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না, তাই এ লুজনোটে আমার স্বাক্ষর করা ঠিক হবে না।
এ কথা বলার সাথে সাথে ডিএসও ফরিদকে এফসেক পরিচালকসহ অন্যরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন, তার পাস কেড়ে নেয়ার হুকমি দেয়া হয়। এ ঘটনায় ডিএসও ফরিদ মানসিকভাবে ভেংগে পড়েন।
এ অনাকাংক্ষিত ঘটনার ব্যাপারে পরিচালক শাহজালালকে জানানো হয়। পরে ডিএসও ফরিদ সংস্থার চেয়ারম্যান বরাবর ঘটনা লিখিতভাবে জানান।
এ নিয়ে গত ৮ মে শাহজালাল বিমানবন্দরে উত্তেজনা বিরাজ করে। আলোচানায় চলে আসে ডিএসও ফরিদের লান্ঞিতকরণের ঘটনা।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে একজন নিরাপত্তা সুপার জানান, ডিএসও ফরিদ লুজনোটে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করায় তাকে লান্ঞিতকরণের ঘটনা ঘটে। এফসেক কর্তৃক তিনি লান্ঞিত হন।
এ ব্যাপারে ডিএসও ফরিদ হোসেন জানান, অন্য শিফটের ঘটনায় এফসেক সদস্যরা আমাকে স্বাক্ষর করতে বললে আমি তাতে স্বীকার করায় পরিচালক নূর স্যারের উপস্থিতিতে এফসেক সদস্যরা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। চাকরির গ্রেড নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। আমি এ ঘটনা চেয়ারম্যান স্যারকে জানিয়েছি।
উল্লেখ্য, সিএএবির কর্মচারি হাকিম শাহজালালে গত ৪ মে স্বর্ন পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়ে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ তাকে ছেড়ে। কিন্ত গোয়েন্দা সংস্থা তাকে আটকে দেয়। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও সিএএবির কর্মচারি হাকিমকে এখনও সাসপেন্ড করেনি সিএএবি কর্তৃপক্ষ। কারণ ডিডি প্রশাসনের কথিত ভাগিনা বলে কথা!
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
