সিভিল এভিয়েশন : পদোন্নতি দিয়ে পরিচালক থেকে সদস্য করা হলো যুগ্ম সচিব মিজানুর রহমানকে : ডেপু লতিফের বিদায় : সিএসও পদ শূন্য

বিশেষ সংবাদদাতা : বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন অথরীটিতে (সিএএবি) সরকারের দুই যুগ্ম সচিবকে পদায়ন করা হয়েছে। এরা হলেন- যুগ্ম সচিব মো. মিজানুর রহমান এবং আবুল ফয়েজ মোহাম্মদ মো. আলাউদ্দিন খান। এরমধ্যে মিজানুর রহমান উপসচিব হিসেবে সিএএবির পরিচালক প্রশাসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে সদস্য অর্থ হিসেবে আবার সিএএবিতেই পদায়ন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই রদবদল দাপ্তরিকপত্রে স্বাক্ষর করেন উপসচিব মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ। এই দাপ্তরিকপত্রে আরো ১০ জনকে বদলি করা হয়েছে।
সিএএবির এমন প্রশাসনিক রদবদল বিরল। কোন ক্যাডার কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে আবার সিএএবিতে পদায়ন করা হয়নি। কিন্ত সরকারের উপসচি মো. মিজানুর রহমানকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে আবার সিএএবিতেই সদস্য অর্থ করা হলো।
ডেপু লতিফের বিদায়, সিএসও পদ শূন্য, নিয়ন্ত্রন করছে এভসেক : সিএএবির অর্গ্রনোগ্রামের বাইরে সৃজন করা এয়ারপোর্ট ডিউটি অফিসার (ডেপু) পদে আব্দুল লতিফ দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করার পর অবশেষে তাকে তার মাদার ডিপার্টমেন্ট ফায়ারে বদলি করা হয়েছে। বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা সাজেদুলকে ওই পদে পদায়ন করা হয়েছে। সিএএবির অর্গানোগ্রামের বাইরে পরিচালক ( নিরাপত্তা) পদে বিমান বাহিনীর একজন কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া তিন শিফটে বিমান বাহিনী থেকে ‘এভসে’কে আগত তিনজন এএসএমকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। পুরো নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করছে এভসেক।
এ দিকে সিএএবির অর্গানোগ্রামে থাকা প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা (সিএসও) পদটি মনগড়া বিলুপ্ত করে (যদিও ফাইনালি আর্গানোমে পদটি বিলুপ্ত হয়নি) এ পদে কর্মরত কর্মকর্তাকে চলতি দায়িত্বের পদোন্নতি দিয়ে সরিয়ে রাখা হয়েছে। সিএসও পদে এখন আর কাউকে দায়িত্ব দেয়া হচ্ছে না। মূল অর্গানোগ্রামের বাইরে পরিচালক নিরাপত্তা পদে পদায়নকৃত কর্মকর্তা এ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। শাহজালাল বিমানবন্দরে এখন পুরো নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন বিভিন্ন বাহিনী থেকে আগত এভসেক সদস্যরা। সিএএবির নিজস্ব নিরাপত্তা বিভাগের জনবলকে ‘এভসেকের’ আওতায় আনা হয়েছে। ফলে অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে সিএএরি নিজস্ব নিরাপত্তা বিভাগের জনবল। এ বিভাগের সিএসও পদটিও অকার্যকর করে রাখা হয়েছে। বসিয়ে রাখা হয়েছে এ বিভাগের প্রধান সিএসও রাশিদা সুলতানাকে। ডিউটি রোস্টার থেকে শুরু করে সব প্রশাসনিক কাজ করছে এভসেক সদস্যরা। এক সময় হয়তো পুরো শাহজালাল বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে এয়ারফোর্সের জনবল- এমন আশংকা করছে সিএএবির নিজস্ব নিরাপত্তা বিভাগের সদস্যরা।