স্টাফ রিপোর্টার : শাহজালাল বিমানবন্দরে বিমানের সিটের নীচ থেকে ২৫ কোটি টাকার সোনা ধরলো এনএসআই-কাস্টমস-এভসেক। কিন্ত বাহবা নিল ঢাকা কাস্টমস হাউজ। এ নিয়ে ঢাকা কাস্টমস হাউজ গত ০৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ঘটা করে এক সংবাদ ব্রিফিং করলো। সেখানে গণমাধ্যমের পরিচিত কয়জনকে ডেকে সংবাদ প্রচার করলো। হাউজ কমিশনার তার পোস্টিংয়ের আগেরসহ বর্তমান পর্যন্ত কি পরিমাণ সোনা ধরা পড়েছে তাও প্রচার করেছে ওই ব্রিফিংয়ে।
এ ব্যাপারে জানতে হাউজের দায়িত্বে থাকা এআরও-মাসুমকে তার মোবাইলে ফোন করলে তিনি পরে কথা বলবো বলে ফোনটি কেটে দেন।
পরে পিএ টু কমিশনার মুশফিক প্রেস বিঙপ্তির একটি কপি হোয়াইটস আপে পাঠান।
উক্ত ব্রিফিংয়ে ঢাকা কাস্টমস হাউজ ২৫ কোটি টাকা সোনা ধরার দাবিদার বলে প্রচার করলেও অন্যান্য সংস্থা যে ধরা অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছে তার লেশমাত্র উল্লেখ করা হয়নি।
অথচ এই সোনা পাচার প্রক্রিয়ার খবর সর্ব প্রথমে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা গোপনে খবর পেয়ে কাস্টমস-এভসেক সদস্যদের নিয়ে বিমান কর্ডন করে বিমানের সিটের নীচ থেকে ২৫ কোটি টাকার সোনা উদ্ধার করে, কাস্টমস ডিটেনশন মেমো করে উদ্ধারকৃত তাদের গুদামে সোনা জমা রাখে।
এ ঘটনায় কাস্টমস বাদি হয়ে ফৌজদারি ধারায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করেছে।
২৫ কোটি টাকার সোনা ধরার মামলায় বিমানবন্দর থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
এ দিকে ফ্লাই দুবাই এফজেড-২৩ বিমান থেকে সোনা উদ্ধার করা হলেও বিমানটি জব্দ করেনি কর্তৃপক্ষ।
কাস্টমস এর গোয়েন্দা ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা গত ১৫/২০ দিনে শাহজালাল বিমানবন্দর ও ফ্রেইট থেকে কয়েকশ’ কোটি টাকার সোনা ও অন্যান্য পণ্য আটক করলেও ঢাকা কাস্টমস হাউজ যেন ঠুটো জগনাৎ। কাস্টমস হাউজ স্ক্যানারের দোহাই দিচ্ছে। আবার হাউজের কয়েক সদস্য মিলে ৫২ কেজি সোনা গুদাম থেকে চুরিও করেছে, এ সংক্রান্ত মামলা চলমান।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
