একুশে বার্তা রিপোর্ট : যরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় চার কেজি স্বর্ণের বারসহ গত বৃহস্পতিবার সকালে বিমানের ক্লিনার জনাথন মুক্তি বারিকদারকে আটক করে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ।
বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস অ্যান্ড মিডিয়া) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, জনাথন মুক্তি বারিকদার ৭ নম্বরে বোর্ডিং ব্রিজ এলাকায় কাজ করছিলেন। গোপন খবরের ভিত্তিতে ক্লিনার জনাথন মুক্তি বারিকদাকে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে আটক করা হয়। তার কাছে কোনো আইডি কার্ড ছিল না। এমনকি এপিবিএন দায়িত্ব পালনের সময় তাকে চেকিং করতে চাইলে তিনি সেটাও করতে দেননি।
আলমগীর হোসেন বলেন, ক্লিনার জনাথন মুক্তি বারিকদাকে আটক করে এপিবিএন’র সদর দফতরে আনা হয়। বিমানবন্দরে কর্মরত সব সংস্থার উপস্থিতিতে সেখানে তার দেহ তল্লাশি করা হয়। এ সময় জুতার ভেতর অভিনব কায়দায় লুকানো অবস্থায় প্রায় ৪ কেজি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়।
শুক্রবার বিমানবন্দর থানা পুলিশ আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী শুনানি শেষে রিমান্ডের আদেশ দেন।
আলমগীর হোসেন জানান, ২০১৪ সালে জনাথন মুক্তি বারিকদার বিমানের ক্লিনার হিসেবে যোগদান করেন। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার খালিশপুরে।
এ দিকে কার্গো হেলপার (ক্যাজুয়াল) শাহিন মিয়ার (পিতা-আবুল কাশেম) বিরুদ্ধে জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগ ওঠেছে। তার মিক্ষা সনদ পরিক্ষা করার দাবি করছে সংশ্লিষ্টরা। সিএএবির একজন কর্মকর্তা জানান, বিমানের এডমিন এসিসটেন্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং আইন কর্মকর্তার যোগসাজশে ৫ম শ্রেনী পাসের ভুয়া সনদে তাকে চাকরির ব্যবস্থা করা হয়।
এ দিকে শাহজালালে দীর্ঘদিন কর্মরত সিএএবির একজন ইনজিন ড্রাইভার এবং বেল্টম্যানের পরপ্সর মিশনে আদম পাচার হয়ে থাকে বলে গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছে। ইএম বিভাগের একজন উপসহকারি প্রকৌশলীর সাথে এ ২জনের সিলেটে কোটি টাকার মৎস্য খামার ব্যবসা গড়ে তুলা হয়েছে। ও্ই ইনজিন ড্রাইভার ঢাকায় নামে বেনামে ১১টি বাড়ির মালিক বনে গেছেন। দুদক তার ওপর নজরদারি করছে।
