ঢাকা কাস্টমস হাউজ : রুবেলের নেতৃত্বে পাচার : গোয়েন্দা অভিযান: আমদানি কার্গোতে ৫ শতাধিক ল্যাপটপ , নিষিদ্ধ ক্রীম, ইলেকটিক সিগারেট জব্দ : প্রায় ৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়: পাচার অব্যাহত: শুল্ক গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, বুলবুলসহ একাধিক ব্যবসায়ির পণ্য লক,

স্টাফ রিপোর্টার : হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আমদানি কার্গো টার্মিনালে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পৃথক পৃথক যৌথ অভিযানে আমদানি নিষিদ্ধ মানব ব্যবহারের ক্রীম, ইলেকট্রিক সিগারেট এবং ৫ শতাধিক ল্যাপটপ জব্দ করা হয়েছে। এসব পণ্য মিথ্যা ঘোষণায় রুবেল ওরফে ভাতিজা রুবেল নামে প্রভাবশালী সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী পাচার করার সময় গোয়ন্দা সংস্থা রুখে দিয়েছে। এ সব পণ্য আটক করে সরকারের প্রায় ৭ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। অভিযানে সহায়তা করে কাস্টমসের অন্যান্য ইউনিট
জব্দকৃত পণ্যের এ্যারোবিল নম্বরসমূহ- এসটিইউ ডেল আটার জিলা- ঢাকা প্রেসিডেন্ট হিমেল ৭৮০-৩০০৬-৯৫৩৫/১০৯ দোবা্ই ৭৮০-৩০০৬-৯৫২৪/৯৭ দুবাই-৭৮০-৩০০৬-৯৫৫১/৮৫
গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, এ সব পণ্য মিথ্যা ঘোষণায় ইফ্ফাত এন্টারপ্রাইজের কর্নধার রুবেলের নেতৃত্বে আমদানি করা হয়। এর মধ্যে গত ১১ ডিসেম্বর ৪৮২টি ল্যাপটপ,,গত ১৪ ডিসেম্বর ১২৬২ কেজি নিষিদ্ধ ক্রীম, ১৫ ডিসেম্বর ১৬৪০ কেজি ক্রীম, ১৪০ কার্টন ইলেকট্রিক সিগারট এবং গত ১০ ডিসেম্বর ৪২ টা ল্যাপটপ, ১২০০ কেজি ক্রীম জব্দ করা হয়।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, এই ব্যবসায়ীর একাধিক সিএন্ডএফ লাইসেন্স রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থা এসব খতিয়ে দেখছে। এ প্রক্রিয়ায় তার পাচার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে।
এয়ার ফ্রেইটের শুল্ক গোয়েন্দার এডি এবং রাজস্ব কর্মকর্তা সনজয় নজরদারি বৃদ্ধি করছেন। প্রতিটি আমদানি চালান সন্দেহ হলেই লক করে পরিক্ষা-নীরিক্ষা করছেন। এতে করে অবৈধপন্থায় ব্যবসা করা ব্যবসায়িরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। অপপ্রচার করছেন।

বিমানবন্দর গোয়েন্দা সংস্থার প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দুবাই থেকে আগত Solit Air-এর একটি কার্গো বিমানে আমদানিকৃত দুইটি শিপমেন্টে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় কার্গোর ভেতর থেকে ২ হাজার ৮৭৮ কেজি নিষিদ্ধ ক্রিম, বিভিন্ন প্রকার গার্মেন্টস পণ্য এবং ইলেকট্রনিক্স এক্সেসরিজ উদ্ধার করা হয়।
সিএন্ডএফ ব্যবসায়িরা এতোই ধুরন্দর যে, এদের কেউ কেউ গোয়েন্দা সংস্থার সই নকল করে পর্যন্ত পণ্য পাচার করে থাকে।
এ ব্যাপারে মামলায় জেলও খেটেছে কয়েকজন।
এরা আগে আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতো, এখন বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করছে। আগের মন্ত্রী/নেতাও জামালপুরের এবারের মন্ত্রীও জামালপুরের।
আওয়ামী ব্যবসায়িরা ধীরে ধীরে আসছেন: গত সরকারের আমলে প্রভাবশালী আওয়ামী ব্যবসায়িরা দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর এবার ধীরে ধীরে আসছেন, দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন, ব্যবসা শুরু করছেন। এদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবক লীগের উত্তরা এলাকার তথা মহানগরের নেতা কামরুল হাসান বকুলের প্রতিনিধি জনৈক বুলবুলকে ব্যবসা করতে ফ্রেইটে দেখা যাচ্ছে। এরা বিএনপি নেতাদের সাথে লিয়াজো করে আবার ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন।
গত বৃহস্পতিবার ২ জুলাই আওয়ামী আমলের প্রভাবশালি ব্যবসায়ি বুলবুলের পণ্য খালাসের সময় সন্দেহ হলে ফ্রেইট শুল্ক গোয়েন্দা তার পণ্য খালাস প্রক্রিয়া লক করেছে বলে জানা যায়।