সাইবার আইনে কাল মামলা উঠছে আদালতে

ডেক্স রিপোর্ট:  বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকৌশলী আমিনুল হাসিবকে ঘিরে সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র।
সূত্রগুলোর দাবি, একজন সরকারি কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আমিনুল হাসিবের পদোন্নতি কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে নয়; বরং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান, জ্যেষ্ঠতা, যোগ্যতা এবং বিভাগীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তা হয়েছে।
তাদের অভিযোগ, পদোন্নতিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মাধ্যমে যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, তার পক্ষে কোনো গ্রহণযোগ্য সরকারি নথি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কয়েকটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত অধিকাংশ অভিযোগই অজ্ঞাতনামা সূত্রের বরাতে প্রচার করা হয়েছে। এসব অভিযোগের সমর্থনে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন, আদালতের রায় বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।
ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হওয়াই স্বাভাবিক। তবে যথাযথ প্রমাণ ছাড়া দুর্নীতি, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা, ঘুষ বা অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
তাদের দাবি, এসব প্রচারণার ফলে আমিনুল হাসিব ও তাঁর পরিবারের সামাজিক এবং ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচারে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রচলিত সাইবার-সংক্রান্ত আইনে মামলা দায়েরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আজ অথবা আগামীকাল সকালে সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা দায়ের করা হতে পারে।
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, কোনো তথ্য প্রকাশ বা প্রচারের আগে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তা যাচাই করা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়া দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি।
এদিকে, বেবিচকের অভ্যন্তর থেকে অপপ্রচার ছড়ানোর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতিও চলছে।
উল্লেখ্য, এ প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগ, দাবি ও মামলার প্রস্তুতির তথ্য সংশ্লিষ্ট সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা আদালতের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশিত হয়নি।