ঢাকা কাস্টমস হাউজ : কুরিয়ার শুল্কায়ন : ধরা খেয়েছে ডন নাজির, ভাগিনা সাইফুলের ওপর চড়াও : মুচলেকায় ছাড়

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়নে চুনোপুটি থেকে নিজে খাচা এবং সিএন্ডএফ লাইন্সেসের মালিক বনে যাওয়া নাজির ওরফে নোয়াখাইল্যা নাজির, ব্যবসায়ীদের মুখে মুখে ডন নাজির অবশেষে ধরা খেয়েছে, তার ভাগিনা সাইফুলকে উত্তম-মধ্যম নাকি দেয়া হয়েছে। নাজিরকে কট করে হাউজে নেয়া হয়। সেখান থেকে মুচলেকা দিয়ে ছাড় পায় বলে ব্যবসায়ীরা জানান। ঘটনাটি ঘটে ২৫ অক্টোবর বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়নের বাইরে। একজন ব্যবসায়ী জানান, ডন নাজির পূজার বন্ধের আগে কুরিয়ারে ব্যবসায়িরা পণ্য ডেলিভারির সময় তা ভিডিও করে অর্থ মন্ত্রণালয়সহ এনবিআরে পাঠায়। এতে করে ব্যবসায়িরা ক্ষুব্ধ হয়। আজ ২৫ অক্টোবর অফিস খোলার দিনে নাজির কুরিয়ারে পণ্য ডেলিভারির সময় ক্ষুব্ধ
ব্যবসায়িরা তাকে কট করে হাউজে নিয়ে, তার ভাগিনা সাইফুলকে উত্তম-মধ্যম দেয়। পরে সালিশ বসিয়ে নাজিরের থেকে মুচলেকা রেখে
তাকে ছেড়ে দেয় বলে ব্যবসায়িরা জানান। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুরিয়ারে কর্মরত সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা-যিনি এসটির দায়িত্ব পালন করেন- তিনি জানান, ঘটনা কুরিয়ার গেটে বাইরে, আমরা কাস্টম কর্মকর্তারা হস্তক্ষেপ করতে চাইলে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়িরা বলেন যে, স্যার আপনরা চুপ থাকেন, এটা আমাদের
ব্যবসায়িক দ্ধন্ধ, আভ্যন্তরীণ ব্যাপার। একজন সিএন্ডএফ ব্যবসায়ি জানান, নাজির নিজে দুইনম্বরি পদ্ধতিতে পণ্য ডেলিভারি দিয়ে অন্যের দোষত্রুটি খুজে বেড়ায়। একবার তার পণ্য পাচারের কাহিনী ফেইজবুকে ভাইয়াল হয়েছিল বলেও তিনি জানান। কিন্ত প্রশাসন তাকে ছাড় দেয়। এভাবেই নাজির চুটিয়ে ব্যবসা করছে। একজন কর্মচারি থেকে আজ নিজস্ব খাচা ও সিএন্ডএফ লাইন্সেসের মালিক হয়েছেন। গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পেরেছে নাজির কাস্টমসকে ম্যানেজ করে চুটিয়ে ব্যবসা করে রাতারাতি কোটিপতি বনে গেছে। রাজধানিতে তার একাধিক ফ্লাট/প্লট রয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে।
এ ব্যাপারে জানতে নাজিরের সেল ফোনে কল করা হলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।