ঢাকা কাস্টমস হাউজ : ডিসি/এসি/জেসিদের রুমে সিপাই- বহিরাগতদের পোয়াবারো: কোটিপতি সিপাইরা আউট , একজন হাউজের এক ইউনিট থেকে আরেক ইউনিটে বদলি

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজে সহকারি কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার, যুগ্ম কমিশনারদের রুমে রুমে কাস্টমস সিপাই এবং বহিরাগতরা ডিউটি করছে। এদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এসি/ডিসি/জেসিদের রুমে ফাইল আউট-গোয়িং হয়ে থকে। এসি/ডিসি/জেসিদের নামে ফাইল প্রতি মোটা অংকের সুবিধা
হাতিয়ে নেয়া হলে অভিযোগ ওঠেছে। আর তা না হলে ফাইল অফিসারদের রুমে ঢুকে না, ঢুকলেও সময়ক্ষেপণ করা হয়। এতে করে সময়ক্ষেপণে ফাইলিং শেষ করে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের পণ্য খালাসে বিলম্ব হয়ে যায়। বিশেষ করে ওষুধের কাচামাল, গার্মেন্টস-এর এক্সসরিজ খালাসে দেরি হলে শিল্পখাতে সমস্যা তৈরি হয়, উৎপাদন ব্যাহত হয়। ফলে বাধ্য হয়ে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক/ কাস্টমস এজেন্ট প্রতিনিধি তথা কাস্টমস সরকারদের থেকে কাস্টমস সিপাই/ বহিরাগতরা হাকডাক অনুসারে মোটা অংকের সুবিধা হাতিয়ে নিয়ে ফাইলে সাক্ষর করানো হয়ে থাকে। বিষয়টি যে সংশ্লিষ্ট এসি/ডিসি/জেসিরা জানেন না তা নয়-তবে কোন কোন অফিসার ব্যতিক্রম-তারা ননটেক,্ধসঢ়; তাদের নামেও সিপাই/বহিরাগতরা সুবিধা আদায় করে থাকে। এদের নেতৃত্বে
কয়েকজন কোটিপতি সিপাই ঢাকা কাস্টমস হাউজ থেকে আউট হয়েছেন। একজন সিপাই এখনও ঢাকা কাস্টমস হাউজে বহাল। তবে তাকে এক ইউনিট থেকে আরেক ইউনিটে বদলি করা হয়েছে মাত্র- এটা আইওয়াশ। অন্যদিকে এসি সামিহা আশরাফির রুমে কাস্টমস সিপাই ফিরোজ ও সিদ্দিক ডিউটি করছে। এদের মাধ্যমে এসির রুমে ফাইল আউট-গোয়িং-এ মোটা অংকের সুবিধা হাতিয়ে নেয়া বলে অভিযোগ ওঠেছে। টপগিয়ারে নাকি এসির দপ্তর। ফাইল বাড়ে স্পীডমানি বাড়ে। এ ব্যাপারে এসি সামিহা আশরাফির সেল ফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। সিপাইদের রুম বরাদ্দ: ঢাকা কাস্টমস হাউজে এবং আশপাশের ইউনিটে কর্মরত সিপাইরা বেশ সংগঠিত। এরা হাউজের ৪র্থ তলায় নাকি একটি রুম বরাদ্দ পেয়েছেন। হাউজ কমিশনার নাকি রুমটি সিপাইদের নামে বরাদ্দ দিয়েছেন। এ রুমে সিপাইরা আরাম-আয়েশ করে থাকেন। ইউনিফর্ম- পোশাক পরেন-খুলেন। মিটিং করেন, অফিসারদের বিরুদ্ধে ফুসে ওঠেন, অনেক অফিসার এদের সমিহ করে চলেন, এরা পাচার সংশ্লিষ্ট কর্মকান্ডের সাথেও জড়িত। ৫২ কেজি সোনা চুরি ঘটনায়
একজন সিপাই মামলায় জেল খাটছেন। এদের নেতৃত্বে নাকি আগে মারজান ছিল ।