শাহজালালে সিএসও’র অফিস সাকৃুলার জারি নিয়ে তোলপাড় : অফিসিয়ালি ব্যবস্থা নিচ্ছে সিএএবি কর্তৃপক্ষ

বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে একটি অফিস সার্কুলার জারি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিষয়টি সদস্য ( নিরাপত্তা) পর্যন্ত গড়ালেও সমাধান হয়নি। বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারিরা ফুসে ওঠছেন। শাহজালাল বিমানবন্দরে কর্তব্যরত অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহারকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, শাহজালাল বিমানবন্দরের কোন অফিস সার্কুলার জারি কবরেন একমাত্র বিমানবন্দরের পরিচালক। পরিচালক ছুটিতে থাকলে উপপরিচালক বা ওনার অনুমতি সাপেক্ষে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিস সার্কুলার জারি করবেন। কিন্ত এ সংক্রান্ত একটি অফিস সার্কুলার জারি এবং বলবত থাকাবস্থায় পরিচালককে অন্ধকারে রেখে নিজের মনগড়া আরেকটি অফিস সার্কুলার জারি করেছেন বিতর্কিত প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা রাশিদা সুলতানা। যদিও তিনি ওই অফিস সার্কুলারে পরিচালকের পক্ষে স্বাক্ষর করেছেন। কিন্ত পরিচালকের অনুমতি নেয়া হয়নি বলে জানা গেছে। ওই অফিস সার্কুলার বিষয়টি জানতে পেরে শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল ফারুক বিষয়টি সদস্য ( নিরাপত্তা)কে অফিসিয়ালি জানিয়েছেন। সদস্য ( নিরাপত্তা) ওই অফিস সার্কুলারটি প্রত্যাহার করার জন্য প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা ( সিএসও)কে নির্দেশ দিলেও তা আমলে নিচ্ছে না সিএসও।
এ দিকে ওই অফিস সার্কুলারে বিমানবন্দরে কর্মরত সকল সংস্থার কর্মচারিদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাঙ্ঘা জারি করায় সকল সংস্থার লোকজন ফুসে ওঠছেন। যে কোন মুহূর্তে যে কোন অনাকাংক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে বলে গোয়েন্দা সংস্থা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।
এ ব্যাপারে শাহজালাল বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল ফারুক জানান, পরিচালকের অনুমতি ব্যতীত সিএসও কোন অফিস সার্কুলার জারি করতে পারেন না। বিষয়টি নিয়ে অফিসিয়ারি ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সিএসও রাশিদা ইতিমধ্যেই বিমানবন্দরে বিতর্কিত ও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। তার বিরুদ্ধে বয়স, শিক্ষা সনদ,চোরাচালানে সহায়তা, গোয়েন্দা রিপোর্টে মানসিক ভারসাম্যসহ একাধিক অভিযোগ থাকলেও তা আমলে নিচ্ছে না সিএএবি কর্তৃৃপক্ষ। শাহজালালের সাবেক পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কাজি ইকবাল করিমের আমলে সিএসও রাশিদা অফিসিয়ালি কমান্ড না ,মানায় তার বিরুদ্ধে ( সিএসও) সাতটি কারন দর্শানো নোটিশ ও একাধিক কৈফিয়ত তলবসহ তাকে বিমানবন্দরের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে বিমানবন্দর থেকে বদলির সুপারিশও আমলে নেয়া হয়নি। উল্টো পরিচালককে সরে যেতে হয়েছে। সিএসও রাশিদা নাকি বলে বেড়ান পরিচালকে বিদায় করেছি।