বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজ অর্ধশত ব্যবসায়ী সিন্ডিকেডের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এদের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে অসাধু কতিপয় কাস্টমস কর্মকর্তা। এই ব্যবসায়ী সিন্ডিকেডের মধ্যে ২০ জন গোপন শপথ নিয়েছে কেউ কারো পণ্য ছাড়ের দুনম্বরি খবর চাউড় করবে না। ওরা পারে না এমন কোন কাজ নেই। ওরা গোয়েন্দা সংস্থার সইপর্যন্ত নকল করতে পারে। এ ঘটনায় একজন নব্য নেতার ২ কর্মচারীকে গ্রেফতার করে জেল- জরিমানা করা হয়। ঘুষ দেয়ার কথা জানতে পেরে একজন নীরিত সিএিন্ডএফ ব্যবসায়ীর এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়। ১নং ডেলিভারি গেটে ২০ সিন্ডিকেড সদস্যদের পণ্য জব্দ/ আটকের কথা শোনা যায় না। ৩নং গেটে কিছুদিন আগে গোয়েন্দা সংস্থা অভিযান চালিয়ে কোটি টাকার পণ্য আটক করে। কুরিয়ার গেটে পর পর দুবার পণ্য ছাড়করণের ঘটনায় এসি কুরিয়ার দীনাসহ একযোগে সব কাস্টমস কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়। নতুন এসি সোলাইমান যোগদান করার পর সপ্তাহখানেক টাইট থাকার পর ‘যে লাউ সেই কদ’ু অবস্থায় ফিরে এসেছে। এসি ৭ সেভেন সিন্ডিকেড ব্যবসয়ীকে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে লাকি সেভেন সিন্ডিকেড গড়ে ওঠার পথ বাতলে দিয়েছেন বলে গুনজন শোনা যায়্ । এই লাকি সিন্ডিকেড সদস্য প্রতিদিন/ মাসে ১ হাজারের ওপরে বিল অব এন্ট্রিতে মিথ্যা ঘোষণা, কোন কোন সময় নামকাওয়াস্তে ট্যাক্স দিযে দেদারচ্ছে পণ্য ছাড়করন করছে। এসির ‘নন টেকার’ পুজিকে দোহাই দিয়ে এস পন্থায় পণ্য পাচার হয়ে যায় বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে। এদের মধ্যে পিচ্চি আলমীনের নেতৃত্বে পাচারকৃত পন্য আশকোনা থেকে অতিরিক্ত কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। সেভেন সিন্ডিকেডের মধ্যে একজন নব্য নেতা শীর্ষে।মামা-ভাগিনাও কম যান না। ডিপিএক্স /ডিপিএস নাজির নামের একজন নতুন খাচার মালিক দুনম্বরি ওয়তে পণ্য ছাড়করণ করে রাজধানীর প্রেমবাগানে বিশাল অট্রালিকা গড়ে তুলছেন।টংগির বাশারের কথাও শোনা যায়, প্রতিমাসে বাশার ৮-১০ হাজার বিল এন্ট্রিতে পণ্য ছাড়করন করে নিয়ে যাচ্ছে।টংগিতে তার বিশাল অট্রালিকা রয়েছে। বিমানের একজন চাকরি হারানো গার্ড তাকে শেল্টার দিয়ে থাকেন। সেভেন সিন্ডিকেডের মধ্যে নব্য নেতার প্রতিষ্ঠান মাসে ১০-১৫ হাজার বিলএন্ট্রিতে পণ্য ছাড়করন করছে। ভাগিনা ১০/১২ হাজার,মামা ১০/১২ হাজার, বাশার ৮/১০ হাজার,বাশার ডিপিএক্স/ডিপিএস নাজির ১০/১২ হাজার বিল অব এন্ট্রিতে পণ্য ছাড়করণ করছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারি করছে।
এ সব ব্যাপারে কথা হয় কুরিয়ারে কর্মরত বর্তমান সহকারি কমিশনার (এসি)’র সাথে। তিনি জানান আমাকে নামগুলোা বলে দিন কারা কারা আমার নাম ভাংগিয়ে সুবিধা নিয়ে পণ্য ছাড়করণ করছে। অথচ এসব নাম এসির নখদর্পণে।
এ দিকে কুরিয়ার দিয়ে ৩০ কোটি টাকার পণ্য ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলা ভেস্তে গেছে বলে শোনা যায়। গ্রেফতারের পর জেল খাটলেও শেষাবধি মামলার ভাগ্য তাদের ফেভার করেছে।সেই বাদিও ভয়ে এলাকা ছাড়ার উপক্রম।
এ দিকে ২০ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কমিশনারের দাপ্তরিক জারির পরও কাজে আসছে না।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
