বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজে এয়ারফ্রেইট আমদানি শাখার ১ নং ডেলিভারি গেটের রাজস্ব তদারকিতে গত ৬ মাস আগে যোগদান করেছেন। এই ৬ মাসে আগের যে কোন ৬ মাসের তুলনায় রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ৪ গুণ হয়েছে বলে এসটি অফিস সুত্রে জানা গেছে। এসটি শফিকুল ইসলামের টার্গেট হচ্ছে আগে সরকারের রাজস্ব আদায় তারপর ব্যবসায়ীদের কোন সুযোগ দেয়া যায় কিনা- তা চিন্তাভাবনা করা। আর এটা বুঝতে পেরে হাউজ কমিশনার রাজস্বের পরিমাণ আরো বাড়ানোর জন্য দাপ্তরিক চিঠি জারি করেছেন।
এসটি অফিস সুত্রে জানা যায়, ২০জন বড়মাপের ব্যবসায়ী-যারা প্রতিনিয়ত সরকারকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব দিচ্ছে। এদের মধ্যে সিনথিয়া শাজাহান সবচেয়ে বেশি রাজস্ব দিচ্ছে। সুত্রমতে শতভাগ না হলেও প্রায় ৯০% রাজস্ব আদায় করে পণ্য ছাড়করণ করা হচ্ছে। যদিও কমিশনারের চিঠিতে শতভাগ রাজস্ব আদায়ে তাগিদ দেয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এসি ফ্রেইট বায়োজিদ হোসেনের দিকনির্দেশনায় এসটি শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে রাজস্ব আদায় দিন দিন বাড়ছে। আমদানি শাখায ১ নং ডেলিভারি গেট দিয়ে দুইনম্বরিওয়েতে কোন পণ্য ছাড়করণ হয়ে যাচ্ছে না, শতভাগ এক্সামিন-এসেসমেন্ট করে পণ্য ছাড়করণ করা হচ্ছে। এতে ব্যসায়ীরা অনেক সময় হুমকিও দিয়ে থাকেন কিন্ত দেশ ও জাতির স্বার্থে জীবনের ঝুকি নিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তারা কাজ করায় এই করোনকালিন সময়েও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ অন্য যে কোন সময়ের তুনায় ৪ গুণ বেড়েছে। কাজেই ২০ ব্যবসয়ী সিন্ডিকেড’র কাছে হাউজ জিম্মি নয়Ñ বরং এই ২০ ব্যবসয়ী সিন্ডিকেড সরকারকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব দিয়েই ব্যবসা করছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
