রায়ের সার্টিফায়েড কপি এখনও পায়নি খালেদার আইনজীবীরা : মূল রায়ের সঙ্গে অনুলিপি মেলানোর কাজ চলছে

একুশে বার্তা প্রতিবেদন : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসতের দুর্নীতির মামলার মূল রায় বিচারকের হাত ঘুরে অবশেষে অনুলিপি বিভাগে পৌঁছেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ২টার দিকে অনুলিপি বিভাগ তা পাওয়ার পর অনুলিপি তৈরির কাজ শুরু করেন। কম্পোজকৃত অনুলিপিটি মূল রায়ের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এদিন তার অর্ধেকটা সম্পন্ন হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদারসহ প্রায় অর্ধশত আইনজীবী বৃহস্পতিবার রায়ের অনুলিপি নিতে রায় আদালতে গিয়ে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। কিন্তু সাড়ে ৫টার সময় ওই আদালত থেকে জানানো হয় কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় আজকে রায়ের অনুলিপি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

জানতে চাইলে আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া জানান, আদালত থেকে অনুলিপি বিভাগ আগামী রবি অথবা সোমবার রায়ের অনুলিপি পাওয়া যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে। তাই এ পর্যন্ত বিএনপিকে অপেক্ষা করতে হবে।

গতকাল বুধবার জানানো হয়েছিল, আজ বৃহস্পতিবার ৪টার মধ্যে অনুলিপি পাওয়া যেতে পারে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো.আখতারুজ্জামান বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে এই মামলায় তারেক রহমানসহ পাঁচজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

রায় ঘোষণার পর ওইদিনই খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে ওইদিনই রায়ের অনুলিপি চেয়ে আবেদন করা হয়। এরপর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুলিপির জন্য ৩ হাজার পৃষ্ঠা কোর্ট ফলিও স্টাম্প আদালতে দাখিল করেন খালেদার আইনজীবীরা।

দণ্ডপ্রাপ্ত বাকি চার আসামি হলেন, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। তাদের মধ্যে তারেক রহমান, কামাল সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান পলাতক।