সিএএবি : ভিত্তিহীন অভিযোগে তত্বাবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলীর ব্যাখ্যার পরও কর্মসহকারিকে হয়রানি করছে প্রশাসন : দুই দুই বার দাপ্তরিক চিঠি চালাচালি

বিশেষ সংবাদদাতা : ভিত্তিহীন অভিযোগে প্রকৌশল বিভাগের সিডি-২-এ কর্মরত কর্মসহকারি মো. কামরুজ্জামানকে প্রশাসন হয়রানি করছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ভিত্তিহীন অভিযোগে তার উর্ধতন কর্মকর্তা তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নির্বাহী প্রকৌশলী অভিযোগের বিপক্ষে এবং তার পক্ষে মতামত দিয়ে দাপ্তরিক পত্র জারির পরও প্রশাসন বিভাগ হয়রানি করছে বলে অভিযোগ। এ ব্যাপারে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশের পরও তা আমলে নিচ্ছে না সিএএবির প্রশাসন বিভাগ।
জানা গেছে, মো. আরিফুর রহমান ,২৮৬ দক্ষিণখান,ঢাকা নামে এক ব্যক্তি গত ১২ মে সিএএবির চেয়ারম্যান বরাবর ‘সিভিল ডিভিশন-২-এ ‘ওয়ার্ক এসিসটেন্ট হিসেবে কর্মরত মো. কামরুজ্জামান ঠিকাদারদের ব্লাকমেইল করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়া প্রসংগে’ শিরোনামে এক অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি প্রশাসন বিভাগের সদস্য (প্রশাসন) হয়ে ডিডি ( প্রশাসন) হাত বদল হয়ে সহকারি পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম নির্বাহী প্রকৌশলী সিডি-২কে মতামতা চেয়ে এক দাপ্তরিক পত্র জারি করেন। যার স্মারকনং-৩০.৩১.০০০০.২২১.৩১.গ১৩১৫/৯৪৪৯ তারিখ-২০.৬.২০১৮ খ্রি:।
নির্বাহী প্রকৌশলী সিডি-২ ওই দাপ্তরিক চিঠি পাবার পর চেয়ারম্যান বরাবর এক দাপ্তরিকপত্রের মাধ্যমে তার মতামত তুলে ধরেন। তিনি তার মতামতে উল্লেখ করেন যে, কামরুজ্জামান, বহিরংগন সহকারি বিগত ২২-০৭-২০১৫ তারিখে অত্র কর্তৃপক্ষে যোগদান করেছেন। তিনি অত্র দপ্তরের বিভিন্ন চলমান উন্নয়নমূলক এবং মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ তদারকি করে থাকেন। কার্য চলাকালিন অথবা পরবর্তী সময়ে এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে অভিযেগ উথ্থাপিত মৌাখক কিংবা লিখিত কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
অভিযোগে উথ্থাপিত বিষয়াদি উদ্দেশ্যপ্রনোদিত, সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। উল্লেখ্য যে, সংশ্লিষ্ট কর্মচারির দায়িত্ব পালন ও শৃংখলাবোধ সন্তোষজনক। অতএব, উথ্থাপিত অভিযোগ হতে তাকে অব্যাহতি প্রদানের জন্য সুপারিশ সহকারে পেশ করা হলো।
নির্বাহী প্রকৌশলী সিডি-২-এর মতামত পাওয়ার পর অভিযোগ প্রত্যাহার না করে আবার নতুন করে হয়রানির জন্য একই বিভাগের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে গত ১৯.৯.২০১৮ তারিখে দাপ্তরিক চিঠি দিয়ে প্রশাসন বিভাগ থেকে ৭ দিনের মধ্যে মতামত চাওয়া হয়। ততা¡বধায়ক প্রকৌশলী সিডি-২ একেএম মাকসুদুল ইসলাম গত ২৩.৯.২০১৮ তারিখে অভিযোগ প্রসংগে সহমত পোষণ করে কর্মচারি কারুজ্জামানের অভিযোগ প্রত্যাহারের সুপারিশ পেশ করেন।
কিন্ত দুই দুইবার প্রশাসন বিভাগ থেকে দাপ্তরিক চিঠি চালাচালি এবং অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রওেনাদিত বলা হলেও অভিযুক্ত কর্মচারিকে এখনও অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়নি বলে অভিযুক্ত কর্মচারি কামরুজ্জামান জানান।