একুশে বার্তা প্রতিবেদন : আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, হাওয়া ভবনের চোর এখন আন্ত মহাদেশীয় চোর। তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন তারেক রহমানের লন্ডনে আয়ের উৎস জুয়া বলেও মন্তব্য করেছেন।
সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের প্রথম প্রয়ান দিবস উপলক্ষে ৪ ফেব্রুয়ারি রোববার সকালে প্রেসক্লাবে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারপারসন তারেক রহমান লন্ডনে যে ট্যাক্স ফাইল করেন সেখানে আয়ের উৎস উল্লেখ করেন জুয়া খেলা। তিনি জুয়া খেলে যা কামান তার থেকে ট্যাক্স দেন।’
তিনি বলেন, ‘আগে মানুষ তাকে হাওয়া ভবনের চোর বলতো, এখন বলে আন্তঃমহাদেশীয় চোর। এই আন্তঃমহাদেশীয় চোর বলার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানতে পারি, তিনি জুয়া খেলার টাকা থেকে ট্যাক্স দেন।’
খালেদা জিয়ার গত ৩ ফেব্রুয়ারির বক্তব্যের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘খালেদা জিয়া যে বক্তব্য দিয়েছেন তা হলো মৃত্যুর আগে গোঙানি। এটা তাদের পতনের আগের গোঙানি। তিনি ছয়টি শর্ত দিয়েছেন নির্বাচনের। আমি আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই কারও সুবিধার্থে সংবিধানের ব্যত্যয় ঘটানো হবে না।
হাছান মাহমুদ বলেন, পৃথিবীর সব দেশে যেভাবে নির্বাচন হয় সেভাবেই এদেশেও হবে। জনগণ অবাধে যাকে খুশি তাকে ভোট দেবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যদি কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয় তাহলে জনগণের কাছ থেকে চিরতরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, “তিনি জলহস্তির চেয়ে বড় কার্যনির্বাহী সদস্যদের সভা করলেন পাঁচ তারকা হোটেলে। তারা নাকি ঢাকায় আর কোথাও জায়গা পাননি। সুপ্রিমকোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের মিলনায়তন খালি ছিল। সেখানেও করতে পারতেন। তিনি করেন নাই, কারণ এসব জায়গায় তিনি যেতে পারেন না। তবে আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই। তিনি গতকাল একটি মূল্যবান কথা বলেছেন। ‘সবার উপরে আল্লাহ আছে’।”
এ সময় ১৫ আগস্টের কথা স্মরণ করিয়ে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক বলেন, ‘ইতিহাসের ঘৃণিত হত্যাকাণ্ড যেদিন হয়েছিল, ছোট নিষ্পাপ শিশুকে যেদিন হত্যা করা হয়েছিল, যেদিন হত্যার তালিকায় অন্তঃসত্ত্বা নারীও বাদ যায়নি, সেই ১৫ আগস্ট উপহাস করার জন্য তিনি জন্মদিনের কেক কাটেন। কোকোর মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনার বাসার দরজা থেকে ফেরত এসেছিলেন, আপনি ঢুকতে দেন নাই। আপনার নির্দেশে মানুষ পুড়িয়ে মারা হয়েছে, কোরআন শরীফ পর্যন্ত পোড়ানো হয়েছে। হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন উপরে আল্লাহ আছেন, তিনি দেখবেন। দেশের আইনে বিচার হবে, আল্লাহর আইনেও বিচার হবে।’
