একুশে বার্তা রিপোর্ট : ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না। সড়কপথ-রেলপথ-নৌপথ সব স্থানে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে ঘরমুখো মানুষের। শিডিউল বিপর্যয়ের মুখে ট্রেন। একই রকমভাবে ভিড় রয়েছে বাস টার্মিনালগুলোতে। অতিরিক্ত ভাড়া, নির্দিষ্ট সময়ের চেয়ে দেরি করে আসাসহ নানা রকম নৈরাজ্য সহ্য করতে হচ্ছে বাসযাত্রীদের। সেই সাথে রাস্তায় দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তির মাত্রা চরমে পৌঁছেছে। সব মিলিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ঈদের ঘরমুখো সাধারণ যাত্রীরা। : কমলাপুর বিআরটিসি বাস ডিপো, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে মানুষ ছাদেও চড়েছেন। কমলাপুর স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় ট্রেনে যে যাত্রী আছেন তার চেয়ে বেশি যাত্রী আছেন দাঁড়িয়ে ও ছাদে। যারা বাস বা ট্রেনে সিট পাননি তারা প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মিনিবাস, আবার কেউ কেউ খোলা ট্রাকে করেই ছুটছেন গন্তব্যে। রাজধানীতে চলাচলকারী অনেক বাস এখন দূরপাল্লার যাত্রী বহন করছে। এই গাড়িগুলোতেও ঝুঁকি নিয়ে ছুটছেন মানুষ। : কোনো নিয়মনীতি না মেনে লঞ্চগুলোতে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। এদিকে লঞ্চগুলোতে বাড়তি ভাড়া আদায়ের পর অতিরিক্ত অর্থ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সিট বাণিজ্য করে লঞ্চের শ্রমিকরা বাড়তি অর্থ আদায় করে নিচ্ছে। সূত্র জানায়, ঈদ মওসুম এলেই অসাধু শ্রমিকরা এই কাজ করে থাকে। লঞ্চ মালিক ও প্রশাসনের লোকজন এসব জেনেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। : ঈদ উপলে অগ্রিম টিকিট কাটা যাত্রীরা ১০ জুন থেকে যাত্রা শুরু করেছে। ১২ জুন পর্যন্ত অধিকাংশ ট্রেন শিডিউল অনুযায়ী চলাচল করছিল। কিন্তু বুধবার ১৩ জুন ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া এবং ঢাকায় আসা বিভিন্ন ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ঘটেছে। চলমান ট্রেনের সঙ্গে ‘ঈদ স্পেশাল ট্রেন’-এর শিডিউল বিপর্যয় চরমে উঠছে। প্রায় ট্রেনেই দেড় ঘন্টা থেকে ২ ঘন্টা পর্যন্ত বিলম্বে চলাচল করছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার শিডিউল বিপর্যয় আরও ঘটতে পারে, আশঙ্কা করছে রেলওয়ে কর্তৃপ। এদিকে বুধবার দুপুরে ঘরমুখো যাত্রীদের বিদায় জানাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে আসেন রেলপথ মন্ত্রীসহ রেলওয়ে কর্মকর্তারা। : তবে এ বিষয়ে রেলপথ সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন জানান, রেলওয়ে কর্তৃপরে কাছে ঈদ উপলে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে জরুরি। ১ ঘন্টা কিংবা ৩০ মিনিট বিলম্বে ট্রেন চলাচল করাটাকে খুব একটা দুর্ভোগ মনে করছে না রেল। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে নির্ধারিত গতির চেয়ে কম গতিতে ট্রেন চালাতে হচ্ছে। তাছাড়া প্রতিটি ট্রেনই অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। : তিনি বলেন, এক একটি স্টেশনে নির্ধারিত যাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত সময় দিতে হচ্ছে। প্রচন্ড ভিড়ে যাত্রীদের ওঠানামায় বেশি সময় লাগছে। ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই নির্ধারিত সময় ট্রেন চালানো অনেক েেত্রই সম্ভব হচ্ছে না। ছাদে, ইঞ্জিনে যাত্রীদের প্রচন্ড ভিড়। গতি বাড়িয়ে কিংবা স্টেশন নির্ধারিত বিরতি দিয়ে ট্রেন চালাতে গেলেই মহাবিপদ হতে পারে, যা রেলওয়ে কর্তৃপ কখনও করতে পারে না। বুধবার সকাল থেকেই কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের : ভিড় বাড়তে থাকে। মূলত এক একটি ট্রেন যখন বিলম্বে চলাচল করে তখনই স্টেশনে যাত্রীদের জটলা লেগে যায়। বুধবার থেকে ৯টি ঈদ স্পেশাল ট্রেন বিভিন্ন রুটে চলাচল শুরু করে। স্পেশাল ট্রেনগুলো তিন গুণ যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে। ফলে ট্রেনের চালক কিংবা গার্ড ট্রেন চালাতেই হিমশিম খাচ্ছে। এমন অবস্থায় যাত্রীরা বিভিন্ন ধরনের মতামত প্রকাশ করছেন, কেউ বলছেন ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় মেনে নেয়া যায় না, কেউ বলছেন শিডিউল বিপর্যয় হলেও নিরাপদে যাত্রীরা স্ব-স্ব স্থানে পৌঁছতে পারলেই খুশি। : ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জ এক্সপ্রেসটি সকাল ৮.৪৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও প্রায় সোয়া ১ ঘন্টা বিলম্বে ছেড়েছে। লালমনিরহাট স্পেশাল ট্রেনটি ৯.১৫ মিনিটে কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও তা প্রায় আড়াই ঘন্টা বিলম্বে ছেড়ে গেছে। তাছাড়া জামালপুর এক্সপ্রেস, তিতাস কমিউটার, নীলসাগর এক্সপ্রেস, দ্রুতযান এক্সপ্রেস, একতা এক্সপ্রেস, সূবর্ণা এক্সপ্রেস ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘন্টা বিলম্বে কমলাপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে গেছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে থেকে ৬৪টি ট্রেন ছেড়ে যায় বলে রেলওয়ে কর্তৃপ জানিয়েছেন। : শাহআলম, কামাল হোসেন, রুবিনা আক্তার, পারভীন, জামাল উদ্দিন, নজরুল ইসলামসহ অন্তত ২০-২৫ জন যাত্রী জানান, ট্রেনে নিরাপদ ভ্রমণ বলেই তারা ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটেছেন। কিন্তু এখন যখন দেখছি ট্রেনও বিলম্বে চলাচল করছে, তাতে কষ্ট পাওয়ার কথাই। : রংপুর, দিনাজপুর ও জামালপুরের বেশ কয়েকজন যাত্রী জানান, কিছু ট্রেন ১ ঘন্টা ২ ঘন্টা বিলম্ব চলাচল করেছে। রাস্তার যে অবস্থা ঢাকা শহর থেকে বের হতেই ২-৩ ঘন্টা সময় লেগে যায়। তাছাড়া যানজটে পড়লে তো কথাই নেই। : এদিকে কমলাপুর ও বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে প্রায় প্রতিটি ট্রেনের ছাদেই যাত্রীরা উঠছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন নিরুপায়। তাদের সামনেই দরজা-জানালা দিয়ে ছাদে উঠছে লোকজন। কেউ কেউ আবার মই দিয়ে ছাদে উঠছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেলওয়ে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তাদের কিছুই করার নেই। কিছু করতে গেলেই যাত্রীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে। আমরা শুধু অনুরোধ করছি ছাদে না ওঠার জন্য। : কমলাপুর রেলওয়ে ম্যানেজার সীতাংশ চক্রবর্তী জানান, তৃতীয় দিন যাত্রায় বেশ কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে চলাচল করছে। মূলত এসব ট্রেন বিলম্বেই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে আসছে। তাছাড়া স্টেশনে ট্রেনটি পৌঁছামাত্রই হুমড়ি খেয়ে যাত্রীরা ট্রেনে উঠছে। এক একটি ট্রেনে নির্ধারিত যাত্রীদের চেয়ে অনেক বেশি যাত্রী উঠছে। দীর্ঘ সময় ধরে যাত্রীরা ট্রেনে উঠছে। তাছাড়া যেসব ট্রেন অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাচ্ছে, সেই ট্রেনগুলো বিলম্বে কমলাপুর স্টেশনে আসছে। কারণ অতিরিক্ত যাত্রীর কারণে ট্রেনের চালক নির্ধারিত গতিতে চালাতে পারছে না। ফলে শিডিউল বিপর্যয় হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে গতি কমিয়ে, বিরতির সময় বাড়িয়ে ট্রেন চালাতে হচ্ছে। : মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়াঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। পদ্মায় পারাপারের অপোয় রয়েছে ৭ শতাধিক যানবাহন। গতকাল বুধবার ভোর থেকে পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন দণিাঞ্চলবাসী। কিন্তু যাত্রী ও গাড়ির চাপে শিমুলিয়াঘাট এলাকায় অন্তত ৭ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপোয় রয়েছে। এদিকে স্পিডবোটে পারাপারে ২০০ টাকা করে ভাড়া নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। যে কারণে দণিবঙ্গের যাত্রীরা ােভ প্রকাশ করেন। : ঈদযাত্রায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ৩০ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল থেকে সৃষ্টি হওয়া এই যানজটে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। : হাইওয়ে ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র শবেকদরের ছুটি থাকায় বুধবার ভোর থেকেই যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদে গ্রামের বাড়ি যাওয়া মানুষের চাপে মহাসড়কে দেখা দিয়েছে যানজট। : জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও মুগ্ধাপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই যানজট। মেঘনা সেতুর সংযোগ সড়কের উচ্চতা, টোল আদায়ে সারিবদ্ধ গাড়ির লাইন ও আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতার কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজটে ঘন্টার পর ঘন্টা সৃষ্ট আটকা পড়ে নারী ও শিশু যাত্রীরা প্রচন্ড গরমে এবং খাবার পানির সঙ্কটে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। : নাজমুল ইসলাম নামে এক যাত্রী জানান, বুধবার দুপুর ২টা পর্যন্ত সৃষ্ট যানজট সোনারগাঁও উপজেলার মুগ্ধাপাড়া থেকে গজারিয়ার সীমান্তবর্তী মেঘনা- গোমতী সেতু পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে পড়েছে। এতে শত শত ঈদ ঘরমুখো যাত্রীবাহী যান আটকা পড়েছে। মুন্সীগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (সদর-গজারিয়া সার্কেল) খন্দকার মো. আসাদুজ্জামান জানান, হাইওয়ে পুলিশের পাশাপাশি সহকারী পুলিশ সুপার খন্দকার মো. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে গজারিয়া থানা পুলিশ যানজট নিরসনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। : গাজীপুরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজট রয়েছে। টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত থেমে থেমে চলছে যানবাহন। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও একই চিত্র। আবার সময়মত বাস না আসার কারণে ভোগান্তিতে রয়েছেন উত্তরবঙ্গগামী যাত্রীরা। : ঈদে বাড়তি মানুষের চাপ লেগেছে বাস টার্মিনালগুলোতে। সেই সুযোগে বাসের অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, রাস্তার জ্যামের ভোগান্তির মতো সমস্যাতো আছেই। সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা দিয়ে যানবাহন চলাচলে কিছুটা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। গাড়ির দীর্ঘ সারি রয়েছে কোনাবাড়ি এলাকায়। : সকাল থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে চান্দনা চৌরাস্তা পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার সড়কে থেমে থেমে যানবাহন চলছে। যানবাহনের বাড়তি চাপ এবং সরু সড়কের কারণে এ যানজট তৈরি হচ্ছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকেই যাত্রীরা ভিড় করছেন টার্মিনালটিতে। কেউ বসে আছেন অগ্রিম টিকিট কাটা বাসের অপোয় আর কেউবা আছেন টিকিট পাওয়ার অপোয়। : টাঙ্গাইলের নিরালা ও বিনিময় পরিবহন সাধারণ সময়ের ভাড়ার চেয়ে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি নিচ্ছে। এছাড়া ময়মনসিংহ, শেরপুর ও জামালপুর রুটের বাসগুলোর েেত্র ৫০ টাকা বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে। ঈদে ঘরমুখো মানুষ পদে পদে অতিরিক্ত ভাড়া গুনছেন। উত্তরবঙ্গ রুটের বাসগুলোর েেত্র অগ্রিম টিকিট দেয়া থেকে শুরু করে ভাড়া পর্যন্ত ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন যাত্রীরা। : অভিযোগ রয়েছে, কাউন্টার থেকে ইচ্ছে করেই বিক্রি হয়ে গেছে বলে অগ্রিম টিকিট আটকে রাখা হচ্ছে। এরপর যাত্রীর চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে। গুলিস্তান থেকে মাওয়ার ভাড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা। কিন্তু ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত। প্রশাসনের নাকের ডগায় এভাবে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হলেও দেখার কেউ নেই। এভাবে ঢাকা থেকে আরিচা ও পাটুরিয়ার ভাড়া ১০০ টাকার কম হলেও ঈদ উপলে ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকার ওপরে। তাও আবার নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে না দিয়ে কয়েক কিলোমিটার আগে থেকেই যাত্রীদের নামিয়ে দেয়া হচ্ছে গাড়ি থেকে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি আরো বাড়ছে। পাটুরিয়া- দৌলতদিয়া ও মাওয়া-কাওড়াকান্দি রুটের লঞ্চেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় চলছে। : তবে হাইওয়ে পুলিশ বলছে, মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে যানজট নিরসনে কাজ করছে তারা। বাড়তি যানবাহনের চাপ এবং অপ্রশস্ত সড়কের কারণে এই অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। : গতকাল বুধবার রাজধানীর মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে উত্তরবঙ্গ, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও সিলেট রুটের দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যায়। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গ ও সিলেট রুটের েেত্র অগ্রিম টিকিটের যাত্রীদের দেখা গেলেও বাকি অন্যান্য রুটের েেত্র অগ্রিম টিকিটের কোনো বালাই নেই। : অভিযোগ রয়েছে, টাঙ্গাইলের নিরালা পরিবহন ও বিনিময় পরিবহন সাধারণ ভাড়ার চেয়ে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা বেশি নিচ্ছে। কিন্তু উত্তরবঙ্গ রুটের বাসগুলোর েেত্র অগ্রিম টিকিট দেয়া থেকে শুরু করে ভাড়া পর্যন্ত ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন যাত্রীরা। : কাউন্টার থেকে ইচ্ছে করেই বিক্রি হয়ে গেছে বলে অগ্রিম টিকিট আটকে রাখা হয়। এরপর যাত্রীর চাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হয়। এছাড়াও জানা যায়, দিনের প্রথম ট্রেন ঢাকা থেকে দেওয়ানগঞ্জের উদ্দেশে সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি প্রায় ৫০ মিনিট দেরিতে ছাড়ে। দিনের দ্বিতীয় স্পেশাল ট্রেন সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ঢাকা থেকে লালমনিরহাটের উদ্দেশে ছাড়ার কথা থাকলেও তা প্লাটফর্মে এসে পৌঁছায় সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটেও। নৌপথেও ভোগান্তির শেষ নেই। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো চলাচল করলেও দেখার যেন কেউ নেই। : : :
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
