বিশেষ সংবাদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজের কুরিয়ার ইউনিট দিয়ে ২২ হাউজ বা বিল অব এন্ট্রির পণ্য পাচারের সময় গোয়েন্দা হানায় তা রুখে দেয়া হয়েছে। ১২ হাউজের পণ্য জব্দ করা হলেও বাকি পণ্য লাপাত্তা বলে গুনজন শোনা যাচ্ছে। জব্দকৃত পণ্যগুলো গোয়েন্দা সংস্থা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের হেফাজতে জমা দিয়েছে।
গোয়েন্দা রিপোর্টের পর এ সব পণ্যের ভাগ্য নির্ধারিত হবে বলে কুরিয়ারের ডেলিভারি গেটে দায়িত্বরত, এসটির দায়িত্ব পালনকারি কাস্টমস সহকারি রাজস্ব কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, ্ তবে তিনি গ্রেফতারের বিষয়টি অস্বীকার করেন। নিষিদ্ধ ১৭ জনের আইডি কার্ড সীস করা হয়েছে , তারা এখন আর কুরিয়ারে প্রবেশ করতে পারেন না। তাহলে ভাগিনাখ্যাত মুখলেস কিভাবে গ্রেফতার হলো জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান। বলেন যে, বৈধ পাস বা কার্ড ছাড়া কেউ কুরিয়ারের ভিতর প্রবেশ করতে পারে না। ওনার কাছে প্রশ্ন করা হয় তাহলে পিচ্চি আলামিন- যার ঢেরায় এডিসির নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ খালাসকৃত পণ্য জব্দ করা হয়, সে কিভাবে কুরিয়ারে প্রবেশ করে পণ্য ডেলিভারি নিচ্ছে- এ প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে যান।
গোয়েন্দা ধরপাকড় জানতে এসির মোবাইলে বার বার কল করা হলেও তাতে সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে মোবাইল অপারেটর বলতে থাকে।
এ ব্যাপারে জানতে মরিয়ম এ›্টারপ্রাইজের মালিক, ডিসিএএ বন্দর সম্পাদক বেলায়েত হোসেনের মোবাইলে কল করা হলে তিনি জানান, তিনি জেনে পরে জানাবেন।
কুরিয়ারে এটা দ্বিতীয় গোয়েন্দা অভিযান। এর পক্ষকাল আগে গোয়েন্দা সংস্থা কুরিয়ারে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য পাচারের সময় তা জব্দ করে। এ ঘটনায় পিচ্চি আলামিনের পার্টনার আশকোনার ইমান আলির ছেলে হাসানকে গ্রেফতার করে, বিমানবন্দর থানায় মামলা করে কাস্টমস কর্তৃৃপক্ষ।
কুরিয়ারে রামরাজত্ব থেমে নেই। ৬ কাস্টমস কর্মকর্তাকে ফিল্মিস্টাইলে পিটিয়ে ৩০ কোটি টাকার পণ্য ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনার নায়করা এখনও বহাল, মামলা, জেল খাটলেও, পুলিশি চার্জশীট ঢিলেঢালা, ইতিপূর্বে এ রাজত্ব বন্ধে সাবেক কমিশনারের আমলে করিয়ার থেকে এসি মুনমুন দীনাসহ সব স্টাফকে একযোগে বদলি করা হয়।
কিন্ত পাচওয়ার্ড জালিয়াতির গডফাদার( যিনি সুবিধাবাদি ধান্দাবাজ ব্যবসায়িদের হাতে গোপন পাচওয়ার্ড তুলে দিয়ে দেন, তারা (ব্যবসায়িরা) পেপারস গ্রীন করে পণ্য ডেলিভারি নিয়ে যায়- যা কাস্টমসের আভ্যন্তরীন তদন্তে উৎঘাটিত হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন সিএন্ডএফ/খাচার মালিককে লাখ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন মরিয়ম এন্টারপ্রাইজের মালিক, সিএন্ডএফ মালিক সংগঠনের বন্দর সম্পাদক, বিমানবন্দর আ’লীগ নেতা বেলায়েত হোসেন) সেই ডি মিনিমাইজের রাজস্ব কর্মকর্তা খবির উদ্দিন ভুঈয়া এখনও বহাল, তাকে নতুন কমিশনারের আমলেও বদলি করা হয়নি। তার রুমে কাজ করা হাউজ ইলেকট্রিশিয়ান মনজুরকে বের করে দেয়ার পর আবার বহাল, কন্ট্রাক্টে পাচওয়ার্ড ব্যবসায়িদের হাতে তুলে দিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হচ্ছেন, সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।
৭ দিনের ব্যবধানে ২ এসির বদলি : কুরিয়ারে ৭ দিনের ব্যবধানে ২ এসি এবং ১ জন ডিসিকে বদলি করা হয়েছে। বর্তমানে এসি বায়েজিদ দায়িত্ব পালন করছেন। একজন মহিলাকে এসটির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, নেপথ্যে এসটির ভ’মিকা পালন করছেন এআরও কামাল হোসেন। এ দিকে হাউজ কমিশনারের দোহাই দিয়েও থাকতে পারলেন না এসটি মিজান।ক্রমশ–
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
