ঢাকা কাস্টমস হাউজ : এবার ডিএইচএল’র খাচা থেকে পাচারের সময় ১২ হাজার ইউরোর সমপরিমাণ পণ্য জব্দ : কালো পলিথিনে মোড়ানো ১ ট্রলি পন্য এসির হেফাজতে : এসিএস খাচা খুলে দিল কাস্টমস: ফারদার খাচা তালাবদ্ধ

বিশেষ সংবাদদাতা : ফেডেক্স খাচা থেকে সাড়ে ১৭ হাজার ইউএস ডলার পন্য আটকের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ডিএইচএল’র খাচা থেকে ১২ হাজার ইউরো পণ্য ঢাকা কাট্সমস হাউজের কুরিয়ার শুল্কায়নের ডেলিভারি গেট দিয়ে পাচারের সময় তা রুখে দিয়েছে কাস্টমস কর্তৃৃপক্ষ।
এ দিকে কালো পলিথিনে মোড়ানো ১ ট্রলি পণ্য জব্দ করে এসির হেফাজতে দেয়া হচ্ছে। ঘটনা দুটি ঘটেছে গত মংগলবার ও বৃহস্পতিবার। এর আগে ফেডেক্স খাচা থেকে সাড়ে ১৭ হাজার ইউএস ডলার সমপরিমাণ পন্য পাচারের সময় কাস্টমস তা আটক করে। কাস্টমস-এর সংশিষ্ট এআরও/ আরও কিভাবে এ পণ্য এসেসমেন্ট/ এক্সামিন করলো, কিভাবে পেপারস গ্রীন করলো, কোন আরও পেপারস গ্রীন করলো- –তাও তদন্ত সংস্থাকে ভাবিয়ে তুলছে। পাসওয়ার্ড কে নিয়ন্ত্রণ করলো তাও তদন্ত সংস্থা খতিয়ে দেখছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
ইতিপূর্বে ডিএইচএল খাচা থেকে স্বর্ন পাচারের ঘটনায় ম্যানেজার পরিমল জেলও খেটেছেন। তাকে পরে চাকরিচ্যুত্য করা হয়। এই ডিএইচএল খাচার সাথে ব্যসায়িক সম্পর্ক একজন নব্য নেতার, অনেকে বলে বেড়ান তিনি নাকি ডিএইচএল খাচা লিজ নিয়েছেন।
এ দিকে ডিপিএক্স খাচার সাবেক কর্মচারি নাজির বতর্মানে ডিপিএস খাচার মালিক নাজির নামের একজন একুশে বার্তা সম্পর্কে খোজখবর নিচ্ছেন, সম্পাদকের মোবইল নম্বর সংগ্রহ করার জন্য একজন ব্যবসায়ীকে ফোন করেন বলে জানা যায়।
এ দিকে আমদানি ব্যবসার সাথে জড়িত একজন ব্যবসায়ী সাড়ে ৬ লাখ টাকা কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে জরিমানার দেবার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি একদিকে ব্যবসায়িক নেতা অন্যদিকে বিমানবন্দর থানা আওয়ামীলীগের নেতা। তার সাথে ভাগিনা গ্রুপও ব্যবসা করছেন।কিন্ত মামা গ্রুপ ধরাছোয়ার বাইরে। কাস্টমস এর নিষিদ্ধ’র তালিকাভুক্তরাই কুরিয়ারে বড় ব্যবসায়ী।