নিউজ ডেক্স : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মস্বীকৃত খুনি ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মজিদের ফাঁসি কার্যকরের পর মরদেহ তার চাচা শ্বশুরের তত্ত্বাবধানে পরিবারের সদস্যরা কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সোনারগায় নিয়ে যাচ্ছেন।
মাজেদের মরদেহ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বের হওয়ার পরপরই সেখানে উপস্থিত জনতা মরদেহবাহি অ্যম্বুলেন্সে জুতা ও ঝাড়ু নিক্ষেপ করে। শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে আবদুল মাজেদের ফাঁসির কার্যকর করা হয়। এরপর রাত আড়াইটার দিকে তার মরদেহ হস্তান্তর করা হয় পরিবারের সদস্যদের কাছে। রাত সোয়া ৩টার পর তারা মরদেহ নিয়ে রওনা হন নারায়ণগঞ্জের পথে।
পরিবারের সদস্যরা মরদেহ ভোলায় দাফন করার কথা জানালেও ভোলার স্থানীয় জনগণ বঙ্গবন্ধুর খুনির মরদেহ তাদের মাটিতে দাফন করতে না দেয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থান নেন। পরে বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। মাজেদের পরিবারও বিষয়টি জানতে পারেন। ফলে তার মরদেহটি ভোলায় নেওয়া না নেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
ফাঁসি কার্যকরের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সিদ্ধান্ত হয়, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে দাফন হবে মাজেদের মরদেহ।
জেল সুপার মাহবুবুল ইসলাম বলেন, ফাঁসি কার্যকরের পর কিছু আনুষ্ঠানিকতা থাকে। সে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে মাজেদের পরিবারের কাছে তার লাশ হস্তান্তর করা হয়। তবে লাশ দাফনে স্থানীয়দের কঠোর আপত্তি থাকায় ভোলার প্রশাসন কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি হয়নি। সে কারণে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়েছে।
