স্টাফ রিপোর্টার : কক্সবাজার বিমানবন্দরে জেনারেটর দুর্নীতির মামলায় গত ২৭ জানুয়ারী মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মাহবুবুল আদালতের সাক্ষ্যও জন্য হাজির হলেও মামলার আসামী বেবিচকে সাবেক সহকারি প্রকৌশলী ইএম ভবেশ চন্দ্র রায়, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাদ দে আদালতে হাজির হননি। সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শহিদুল আফরোজ ২০৫ ধারায় উকিলের মাধ্যমে হাজিরা নিশ্চিত করেন।
এ মামলার আসামী ভবেশ বার বারই আদালতে অনুপস্থিত থাকেন বলে জানা যায়। মামলার আসামী হওয়া সত্বেও তাকে শতভাগ পেনশন দিয়ে বেবিচক বিদায় দিয়েছে, অথচ এ মামলায় অন্য আসামীরা কানাকড়িও পেনশন পাননি বলে জানা যায়।
কক্সবাজার এয়ারপোর্টে জেনারেটর দুর্নীতি মামলা: অভিযুক্তদের মধ্যে কোন্দল চরম আকার ধারণ
কক্সবাজার, ২৩ ফেব্রুয়ারিও ২০২৬: কক্সবাজার বিমানবন্দরের জেনারেটর স্থাপন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহীদুল আফরোজ, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মিহির চাঁদ দে এবং সাবেক সহকারী প্রকৌশলী ভবেশ চন্দ্র সরকারের অনুপস্থিতিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা সম্পন্ন করা হয়েছে।
মামলার সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং বিশ্বাস অবিশ্বাসের স্বাভাবিক মাত্রা অতিক্রম করায় কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছে না। শহীদুল আফরোজ টীম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালনে ছলচাতুরির আশ্রয় নিচ্ছেন এবং তিনি ভবেশ চন্দ্র সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে নিজস্ব চিন্তা ভাবনা প্রয়োগ করে কোনোরূপ সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম নন। ফলে শহীদুল আফরোজের সস্তা নেতৃত্বের প্রতি অন্যান্য অভিযুক্তগণ কেহই আস্থা রাখতে পারছে না।
৬ জন অভিযুক্ত আসামির পক্ষে প্রত্যেকেই পৃথক পৃথক আইনজীবী নিয়োগ করেছেন। ফলে, স্বাভাবিক ভাবেই বড় ধরণের সমন্বয়হীনতা সৃষ্টির কারণে মামলার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন কঠিন হতে পারে। অভিযুক্তদের পক্ষে দক্ষতার সাথে নেতৃত্ব দেয়ার মতো যোগ্য ব্যক্তি একজনও নাই।
এদিকে, ভবেশ চন্দ্র সরকার মামলার কারণে কর্তৃপক্ষের নিকট ৮০% পেনশন মঞ্জুর করার আবেদন করেন। কর্তৃপক্ষ সদয় হয়ে তাকে ১০০% পেনশন মঞ্জুর করেন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় থেকে ভবেশ চন্দ্র সরকারের পেনশন স্থগিত করার জন্য সিভিল এভিয়েশন অথরিটিকে পত্র প্রদান করেন। কিন্তু সিভিল এভিয়েশন অথরিটি শুধুমাত্র তার মেডিকেল ভাতা ১৫০০ টাকা স্থগিত করে মহানুভবতার পরিচয় দেন।
বিজ্ঞমহল মনে করছেন, শুধুমাত্র যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে মামলাটির ভবিষ্যত এবং ন্যায় বিচার প্রাপ্তি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করছেন।
