স্টাফ রিপোর্টার : বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ- বেবিচকে প্রেষণে আসা প্রশাসন ক্যাডার এবং এয়ারফোর্স কর্মকর্তারা এখনও বহাল।এরা গত সরকারের আমলের ঘনিষ্ঠজন।এদের মধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রয়াত জিল্লুর রহমানের ভাগিনী জামাই মেম্বার অপারেশন এন্ড প্লানিং এয়ার কমোডর এএফএম আতিকুজ্জামান বিমানবন্দর দিয়ে বাঘা বাঘা আওয়ামী নেতাদের বিদেশে পালাতে সহায়তাকারি বলে বেবিচকে চাউড় হয়ে যাবার পর গোয়েন্দারা নড়েচড়ে বসেছেন, তার সম্পর্কে খোজখবর নিচ্ছেন।
গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উদেষ্টা বিমানবন্দরের অবতরণের পর তাকে কিছুটা বিমর্ষ দেখা যায় বলে জানা যায়। বেচিক চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান চৌধুরির বদলির সাথে একই দাপ্তরিক চিঠিতে মেম্বার অপসকে বদলির কথা শোনা গেলেও তা ভেস্তে গেছে। এখনও তিনি বেবিচকে বহাল। গত ১৫ বছরের যে সব আওয়ামী ঘরানার লোকদের শাহজালাল বিমানবন্দরে ব্যবসায়িক লাউন্ঞ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা মেম্বার অপস নবায়ন করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। আওয়ামী ঘরানার যাদের নামে এসব লাউন্ঞ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তারা হলেন শমী কায়সার, সাবেক মন্ত্রী মেননের বাহাদুর, সাবেক মন্ত্রী, জাতীয় পার্টির সভাপতি জিএম কাদেরের মেয়ের জামাই নায়ক মাহফুজসহ আরো অনেকে।
গত সরকারের আমলের একজন সুবিধাভোগি সাংবাদিক জয় বাংলার আত্মীয় পরিচয়ে শাহজালালে কনক রেস্টুরেন্ট, বেবিচকের সদর দপ্তরে বিশালাকার রেস্টুরেন্ট- যার ডেকোরেশন খরচ হয়েছে নাকি কোটি টাকার মতো, মাসে বিদ্যুত বিল আসে প্রায় ৫০ হাজার টাকার- মাত্র ৫ হাজার টাকা মাসিক ভাড়ায় এটি বরাদ্দ দিয়ে বার বার নবায়ন করা হচ্ছে। এর সাথে সাবেক চেয়ারম্যানের নিজস্ব লোক জড়িত রয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এ ছাড়া বেবিচক বিটে হাতেগোনা কয়জন গণমাধ্যম কর্মী রয়েছে- যারা গত চেয়ারম্যাানের আমলের চেয়ারম্যানের প্রিয়ভাজন সেজে কোটি কোটি টাকার ঠিকাদারি কাজ ভাগিয়ে নিয়ে কেউ আমেরিকা পাড়ি জমিয়েছেন। এরা পিএস-এর রুমে আড্ডায় মেতে ওঠেন, প্রায়ই দুপুরে ভুরিভোজ করেন। এরা কেউ কেউ এক্কেবারে চুনোপুটি থেকে কোটিপতি হয়ে গেছেন। বেবিচক নয়া চেয়ারম্যানের ধারে-কাছে ঘেষে তারও আস্থাভাজন হবার চেষ্টা করছেন। পিএস-এর রুমে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে আড্ডা দিচ্ছেন বলে জানা যায়। চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান এদের পাত্তা দিলেও কয়েক সপ্তাহের চেয়ারম্যান সাদিকুর রহমান এদেরকে পাত্তা দেননি বলে জানা যায়।
৪ চেয়ারম্যানের আমলে পিএসগিরি-পিএগিরি করছেন সোহেল কামরুজ্জামান! বেবিচকের ৪ চেয়ারম্যানের আমল থেকেই পিএসগিরি করছেন ডিডি সোহেল কামরুজ্জামান। চেয়ারম্যান নাঈম হাসানের আমলে তাকে বদলি করা হলেও আবার বহাল। মাঝখানে তাকে বদলির কথা শোনা গেলেও তা কার্যকর করা হয়নি। তিনি আওয়ামী ঘরানার লোক বলে বেবিচকে শোনা যায়। পিএসগিরি পাশাপাশি এক সাংবাদিকের সাথে নাকি ফিফটি ফিফটি ঠিকাদারি ব্যবসা করছেন। প্রায় একযুগ ধরে চেয়ারম্যানের পিএসগিরি করে অনেক অনৈতিক সুবিধা নিয়ে আজ বহু বিত্তবৈভবের মালিক বনে গেছেন বলে বেবিচকে চাউড় হয়ে গেছে। তাকে বদলি করে চেয়ারম্যানের দপ্তরে এয়ারফোর্স থেকে ‘স্টাফ অফিসার’ নিয়োগ দেয়া যেতে পারে বলে অনেকে মনে করেন। বিগত চেয়ারম্যান নাঈম হাসানের আমলে স্টাফ অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
