ডেক্স রিপোর্ট : সব নিয়ম শিকেয় তুলে নিজের ভাতিজাকে পাইলট পদে চাকরি দিয়েছেন বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও সিইও এ এম মোসাদ্দিক আহম্মদ। এ নিয়োগ দিতে গিয়ে তিনি একেক করে ১৩ ধরনের অনিয়ম করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভাতিজা মোক্তাদির আহম্মদকে সুযোগ দিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তাতে সংশোধনী এনে শিক্ষাগত যোগ্যতা হ্রাস করেন। শিথিল বিজ্ঞপ্তির সুযোগে এমডির ভাতিজাসহ ৩০ জন আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ১৩ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। দেশ রূপান্তরের অনুসন্ধান এবং এ-সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিবুল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ নিয়োগের অনিয়মের বিষয়ে আমরা অবগত। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদে তোলা হবে।’
বিমান পরিচালনা পর্ষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে দেশ রূপান্তরকে জানান, বিষয়টি পর্ষদে আসার সঙ্গে সঙ্গেই প্রয়োজনীয় তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হবে।
সিভিল এভিয়েশন অথরিটির কর্মকর্তারা বলেছেন, এই প্রক্রিয়ায় পাইলট নিয়োগ করা হলে জাতিকে তার খেসারত দিতে হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত পাইলটদের প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করে তোলা হয়। কিন্তু সেই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতেও যথেষ্ট যোগ্যতা থাকতে হয়। সবার এ ধরনের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার সামর্থ্য থাকে না। এ জন্যই মেধাবীদের পাইলট হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার রেওয়াজ বিশ^ব্যাপী। আর যাই হোক, নির্ধারিত যোগ্যতার সঙ্গে আপস করা উচিত নয়।
বিমানের বি-৭৩৭ এবং ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজ চালানোর জন্য ৩১টি শূন্যপদে ক্যাডেট পাইলট নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় বিমান ব্যবস্থাপনা কমিটি। গত বছরের ১৮ আগস্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল এসএসসি পাস এবং এইচএসসি বা সমমানের ডিগ্রিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩। পদার্থ ও গণিতেও একই জিপিএ। ও-এ লেভেলে ন্যূনতম গ্রেড বি। এ লেভেলে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে গ্রেড বি থাকতে হবে। জিইডি সনদধারীরা আবেদন করতে পারবেন না। বয়স নির্ধারণ করা হয় ১৮ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৩০ বছর। প্রতি ২০০ ঘণ্টা ফ্লাইংয়ের অভিজ্ঞতার জন্য এক বছর করে প্রার্থীদের বয়স প্রমার্জনা করা হয়। এভাবে সর্বোচ্চ বয়স ৪০ বছর নির্ধারণ করা হয়।
কিন্তু হঠাৎ করেই ১৮ অক্টোবর সংশোধিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে পদার্থ ও গণিতসহ এইচএসসি (বিজ্ঞান) অথবা সমমানের ডিগ্রিতে ন্যূনতম গ্রেড বি বা জিপিএ ৩ চাওয়া হয়। এ লেভেলে জিসিএসই চাওয়া হয় ২ দশমিক ৪। কোনো পর্যায়ের তৃতীয় বিভাগ গ্রহণ না করার কথা বলা হয় সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে।
যেভাবে পার করা হলো এমডির ভাতিজাকে
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ভাতিজা মোক্তাদির আহম্মেদের বয়স ২১ বছর ৭ মাস ৪ দিন। তাই বয়সের ক্ষেত্রে তার কোনো প্রমার্জনার প্রয়োজন হয়নি। কিন্তু তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এ লেভেল, গ্রেড নেই। পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে গ্রেড সি। প্রথম দফায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপন অনুযায়ী তিনি নিজে এবং ৩০ জনের একটি গ্রুপের প্রার্থিতা বৈধ হয় না। তাদের যোগ্যতা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত যোগ্যতার চেয়ে কম। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধন না করলে তারা আবেদন করার যোগ্য হতেন না। কারণ ওই বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেড বি/জিপিএ-৩ উল্লেখ ছিল। সংশোধিত বিজ্ঞপ্তিতে পদার্থ ও গণিতের জন্য কোনো গ্রেড না
থাকায় এবং জিসিএসইতে ২ দশমিক ৪ অন্তর্ভুক্ত করায় প্রার্থী মোক্তাদির আহম্মেদসহ অন্যরা বৈধ হয়ে যান। অভিযোগ, কিছু ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করা হয়েছে।
ক্যাডেট পাইলট পদে নিজের ভাতিজাকে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে যেসব অনিয়ম করা হয়েছে সেসম্পর্কে জানতে চাইলে বিমানের এমডি মোসাদ্দিক আহমেদ গতকাল রবিবার বিকেলে সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ক্যাডেট পাইলট নিয়োগ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। একটা তদন্তাধীন বিষয়ে আমি কথা বলতে চাই না।’
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরকে জানান, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম অনিয়ম হচ্ছে বিমানের পরিচালনা পর্ষদকে উপেক্ষা করা। বিমানের এমডি কোম্পানির শূন্যপদে জনবল নিয়োগের প্রয়োজন হলে অনুমোদিত পদ, শূন্য পদ ও অর্থের সংস্থান বিষয়ে পরিচালনা পর্ষদে উপস্থাপন করে নিয়োগের অনুমোদন চাইবেন। পর্ষদ কোম্পানির কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে জনবল নিয়োগের প্রস্তাব অনুমোদন করবে। কিন্তু এমডি পরিচালনা পর্ষদকে কিছুই জানাননি। পর্ষদকে অন্ধকারে রেখে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন তিনি।
নিয়োগের অন্যতম অনিয়ম হচ্ছে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা। মৌখিক পরীক্ষায় পাস নম্বর ছিল ৫০। একজন পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠানে ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি ১০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার নজির নেই। নিরপেক্ষতার স্বার্থে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর লিখিত পরীক্ষার নম্বরের চেয়ে কখনো ২০ থেকে ২৫ শতাংশের বেশি হয় না। বিসিএসে ১১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় মৌখিকের নম্বর হচ্ছে ২০০। যা মোট নম্বরের মাত্র ১৮ শতাংশ। নন-ক্যাডার নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর মাত্র ১০ শতাংশ।
বিমানের অপারেশনাল ম্যানুয়েল পার্ট-এ অনুসারে নিয়োগের ক্ষেত্রে ৭৫ নম্বরের লিখিত এবং ২৫ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। সংগঠনটির ওঅ্যান্ডএম এবং অপারেশনাল ম্যানুয়েল অনুসারে ক্যাডেট পাইলট পদের জন্য বয়স ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ বছর হতে পারে। কিন্তু ব্যবস্থাপনা পরিচালক যুক্তিহীনভাবে এ বয়স ৪০ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করে নবীন প্রার্থী ও অভিজ্ঞদের একত্রে সিলেকশনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করেছেন। বাছাই কমিটি ৩০ জন প্রার্থীর পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে প্রাপ্ত গ্রেড যথাযথভাবে বিবেচনা না করেই অসম্পূর্ণভাবে বাছাই কাজ শেষ করেছেন।
প্রথম প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এমডির ভাতিজাসহ ৩০ জন প্রার্থী আবেদনই করতে পারতেন না। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি সংশোধন করে তাদের আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রার্থীদের আবেদন চার সদস্যের কমিটির মাধ্যমে বাছাই করার বিধান ছিল। কিন্তু তিন সদস্যের কমিটির মাধ্যমে বাছাই করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ককে বিষয়টি জানানোই হয়নি। মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য গঠিত কমিটির সদস্য চিফ অব ট্রেনিং উপস্থিত ছিলেন না। ডেপুটি চিফ অব ট্রেনিং তার পক্ষে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। চিফ অব ট্রেনিং এ বিষয়ে অবহিত নন।
প্রাথমিক বাছাই কমিটির প্রতিবেদনে ৩০ জন প্রার্থীকে সাময়িকভাবে তাদের অর্জিত ডিগ্রি এইচএসসি (বিজ্ঞান) সমমান কি না, তা যাচাই করে গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। প্রার্থীরা তাদের সমমানের ডকুমেন্ট দাখিল করলেও তা বাছাই কমিটিকে দিয়ে পুনরায় যাচাই-বাছাই করানো হয়নি।
অন্যদিকে ক্যাডেট পাইলটের জন্য সম্পূর্ণ লিখিত পরীক্ষায় পাস করা ৭৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ২২ জনকে মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করানো হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় তাদের চেয়ে কম নম্বর পেয়ে অনেকেই মৌখিক পরীক্ষায় পাস করেছেন এবং চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিমানের মতো একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পাইলটদের সংগঠন বাপার চাহিদামতো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, যা নজিরবিহীন। এই সংস্থার জনবল নিয়োগের কোনো রেগুলেশন নেই। যা একটি বড় ধরনের অনিয়ম। এমডি ডেলিগেশন অব পাওয়ারের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করেছেন।
ক্যাডেট পাইলট নিয়োগে অনিয়ম নিয়ে গত মাসে একটি উড়োচিঠি যায় মন্ত্রণালয়ে। সেই সূত্র ধরে বিষয়টি তদন্তে পাঠান মন্ত্রণালয়ের সচিব। তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকারকে। তিনি তদন্ত শেষ করে গত ২ এপ্রিল প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন।
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগের ২০০৯, ২০১০ ও ২০১৬ সালে যেসব নিয়োগ হয়েছে তার একটির সঙ্গে অন্যটির মিল নেই। সংস্থাটির সব নিয়োগই প্রশ্নবিদ্ধ। বিভিন্ন নিয়োগে সুবিধাজনক ব্যাখ্যা দিয়ে নিয়োগের যোগ্যতা ও বয়স নির্ধারণ করা হয়েছে। বিমানের মতো সরকারি একটি পুরাতন ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের জনবল নিয়োগের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো ম্যানুয়েল বা রেগুলেশন নেই। তারা ওঅ্যান্ডএম, অপারেশনাল ম্যানুয়েল এবং সার্ভিস রেগুলেশন অনুসরণ করেন। কিন্তু কোনোটির সঙ্গে কোনোটির মিল নেই। তাই এগুলো সমন্বিত করে রেগুলেটরি সংস্থা হিসেবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা জরুরি।
কমিটির আহ্বায়কের অগোচরে বিধিবহির্ভূতভাবে বাছাই করা হয়েছে, যা বৈধ নয়। এতে প্রমাণিত হয় কাউকে বা কোনো গ্রুপকে সুবিধা দিতে বাছাই কমিটির আহ্বায়কের অগোচরে বাছাই কার্যক্রম করা হয়েছে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সংশোধন করে প্রার্থী মোক্তাদির আহম্মেদসহ ৩০ জনকে অবৈধ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে এমডি কমিটির সামনে কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ত্রুটিপূর্ণ চিহ্নিত করে তা বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে। যারা অনিয়মের জন্য দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নিতে পারে পরিচালনা পর্ষদ। এ ছাড়া একক নিয়োগ নীতিমালা করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।
বিধান না থাকার পরও মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করেছেন ২২ জন
তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিমানের বিভিন্ন ম্যানুয়েল পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করানোর কোনো বিধান নেই। অথচ আলোচিত এ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় ৫ জন প্রার্থী ৭০-এর বেশি নম্বর পেলেও মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করেছেন। ১৪ জন প্রার্থী ৬০-এর বেশি নম্বর পেলেও মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই লিখিত পরীক্ষায় ভালো করলেও মৌখিক পরীক্ষায় সব সময় ভালো করতে পারে না। কিন্তু ৭৬ জনের মধ্যে ২২ জন লিখিত পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ার পরও ফেল করার ঘটনা স্বাভাবিক নয়।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর মোট ১৪৯টি আবেদন জমা হয়। বাছাইয়ের পর ১২০টি আবেদন বৈধ হয়। বিমানবাহিনীর মাধ্যমে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর এমসিকিউ এবং বর্ণনামূলক পরীক্ষা হয়। এমসিকিউর পাস নম্বর ছিল ৬০ শতাংশ এবং বর্ণনামূলকে ৫০ শতাংশ। ৭৬ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। বিমানের চিফ মেডিকেল অফিসার প্রার্থীদের সাইকোমেট্রিক টেস্ট গ্রহণ করেন। বিমান নিজস্ব তত্ত্বাবধানে ৭৬ জনের মৌখিক পরীক্ষা গত ২০ থেকে ২২ জানুয়ারি নেয়। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর একত্রিত করে ফলাফল প্রস্তুত করা হয়। এতে মোট ৫৪ জন উত্তীর্ণ হয়। এদের মধ্যে ৩২ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করা হয়। অবশিষ্ট ২২ জনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়।
–সুত্র দৈনিক দেশ রূপান্তর (০৮.০৪.২০১৯)
