মন্ত্রী-সচিব হজ্ব ক্যাম্প পরিদর্শন করলেও সহকারি হজ্ব অফিসার মালেকের ফ্যামিলিকে হজ্বক্যাম্পের ডরমেটরি থেকে উচ্ছেদের আদেশ দিলেন না !বহাল-

একুশে বার্তা রিপোর্ট : ১৪ ফেব্রুয়ারি  বৃহস্পতিবার দুপুরে আশকোনার হজ ক্যাম্প পরিদর্শন  করলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সচিব মো: আনিছুর রহমান, যুগ্ম সচিব ( হজ্ব)। পরিদর্শন টিমের সাথে হ্যাবের সভাপতি- মহাসচিবও ছিলেন। মন্ত্রী-সাচিবের নেতৃত্বে পরিদর্শনের টিমের সদস্যরা হজ্ব কার্যক্রম ২০১৯-এর কার্যক্রম উদ্ধোধন করেন, ব্যাংকারদের সাথেও মিটিং করেন। হজ্ব ক্যাম্পের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে নজর দেন, আইসিটি কক্ষ ঘুরে দেখেন। কিন্ত মন্ত্রণালয়ের আদেশ থাকা সত্তেও হজ্ব ক্যুাম্পের তৃতীয়তলায় ডরমেটরি থেকে সহকারি হজ্ব অফিসার আব্দুল মালেকের পরিবার-পরিজনকে উচ্ছেদে আদেশ দিলেন না্, যেন তার পরিবারকে  হজ্বক্যাম্পের ডরমেটরিতে থাকার বৈধতা দিয়ে গেলেন।

হজ্ব ক্যাম্পের ডরমেটরিতে সহকারি হজ্ব অফিসার মালেক, কেরানি সোহেল, তার আপন শ্যালক দীন মোহাম্সমদ, পরিচালকের ড্রাইভার শহিদুর্লাহ, মসজিদের ইমাম-মোয়াজ্জেম হজ্ব ক্যাম্পের ডরমেটরিতে দীর্ঘদিন যাবত পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করলেও তাদের রহস্যজনক কারণে উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনকে থোরাইকেয়ার করছেন পরিচালক হজ্বক্যাম্প সাইফুল ইসলাম। এ সব পরিবারকে হজ্ব ক্যাম্পের ডরমেটরিতে পরিবার নিয়ে বসবাসের জন্য পরিচালক হজ্বক্যাম্প একরকম বৈধতা দিয়ে যাচ্ছেন। পরিবার নিয়ে বসবাস করা কেউ কেউ বের হলেও সহকারি হজ্ব অফিসার আব্দুল মালেক এখনও বহাল। এরা বিএনপি- জামায়াতের প্রেতাত্মা হলেও প্রশাসন এদের ব্যাপারে নিশ্চুপ। মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীকেও এদের ব্যাপারে সঠিক তথ্য জানানো হচ্ছে না্। ২০১৩ সালে সরকার পতনের লক্ষ্যে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বে হজ্ব ক্যাম্পে বোমা সন্ত্রাসের ঘটনার সাথে এদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে গোয়েন্দা রিপোর্ট আমলে নেয়া হয়নি।

জানা গেছে,  সচিবের নেতৃত্বে ধর্মমন্ত্রনালয ও হজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ হাব নেতারা হজ্ব ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এসময় তারা হজ ক্যাম্প থেকে কিভাবে হজ যাত্রীরা নির্বিঘ্নে ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করে সরাসরি ফ্লাইটে উঠতে পারবেন তার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। একই সংগে হজ ক্যাম্পের পুরুষ ও মহিলাদের থাকার ডরমিটরি, খাবার ব্যবস্থা কিভাবে আরো সুন্দর ও সুশৃংখল করা হবে তার বিভিন্ন দিকনিদের্শনা দেন। হজ ক্যাম্পের বিভিন্ন রুমগুলো , বাহিরের দেয়াল, সিডি দ্রুত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করার পরামর্শ দেন। এছাড়া হজ ক্যাম্পের আইটি সেকশন পরিদর্শন করেন।

১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টায় পরিদর্শন টিম হজ্বক্যাম্পে প্রবেশ করেন এবং দুপুর পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরে ইজতেমার উদ্দেশ্যে হজ্ব ক্যাম্প থেকে চলে যান।