শাহজালালে হুন্ডি ব্যবসায়ী গ্রেফতার : সহযোগি ২ জনকে খোজছে পুলিশ : হোটেল ব্যবসার অন্তরালে হুন্ডি ব্যবসা!

একুশে বার্তা প্রতিবেদন : হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আশরাফ নামের একজন হুন্ডি ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১৯ নভেম্বর সোমবার রাতে ব্যাঙ্কক যাওয়ার পথে তাকে ইমিগ্রেশন পুলিশ আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়। এ ব্যাপারে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার তাকে আদালতে পাঠানোর পর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট তার জামিন নাকচ করে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।
ইমিগ্রেশন পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আশ্রাফ হোসেনের বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা ও মানবপাচারের অভিযোগ ছিল। সোমবার তিনি ব্যাঙ্কক ফ্লাইট ধরার জন্য ইমিগ্রেশনে দাঁড়ানোর পর তার পাসপোর্ট রিডিংয়ে তার পার্সোনাল প্রোফাইল ভেসে ওঠে। তার বিরুদ্ধে আগাম তথ্য থাকার দরুণ প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় তার কাছে বেশ কয়েকটি পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এগুলো সম্পর্কে তিনি কোন সুস্পষ্ট জবাব দিতে না পারায় থানায় পাঠিয়ে মামলা দায়ের করা হয়।
ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, গত ২ এপ্রিল ব্যাঙ্কক এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশনে বিপুল পরিমাণ ডলার, ইউরো, দিরহাম ও রিয়ালসহ আটক করা হয় আনোয়ার হোসেন নামের এক বাংলাদেশীকে। পরে বুপারাম পুলিশ এ ঘটনা তদন্তে নেমে জানতে পারে- নাজমুল হাসান, আশ্রাফ হোসেন ও শাহীন আমির নামের বাংলাদেশের তিন হুন্ডি ব্যবসায়ী ব্যাঙ্ককে সক্রিয়। মূলত তারা রেস্টুরেন্ট ও ট্রাভেলস ব্যবসার আড়ালে হুন্ডি ব্যবসায়ে জড়িত। পুলিশ সেদিনই সেখানকার ইন্ডিয়া মার্কেটের নিউ কস্তুরি রেস্টুরেন্ট ও তানভীর ট্রাভেলস ট্রেডার্সে হানা দেয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তার গা ঢাকা দেয়। এর কদিন পর আশ্রাফ হোসেন ঢাকায় চলে আসেন। সোমবার রাতে তিনি আবার ব্যাঙ্কক যাওয়ার জন্য হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে যাওয়ার পর ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। পলাতক অপর তিন হুন্ডি ব্যবসায়ী নাজমুল হাসান, আনোয়ার হোসেন ও আমির শাহীন সম্পর্কে ইমিগ্রেশনে ওয়ান্টেড নোটিস রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।