সিএএবি : ইএম- ২-এ ২০ লাখ টাকার ঠিকাদারি কাজের চিহ্নিও নেই, বিল দেয়া হচ্ছে’ : বড়ুয়ার দায়িত্ব, মামুনের বিদায়, শাহিন কাগজে-কলমে ইএম-৩-এ, অফিস করছেন শাহজালালে

স্টাফ রিপোর্টার : শাহজালাল বিমানবন্দরের ভিভিআইপি রোডে ২০১৯-২০ অর্থবছরে ইএম-২-এর অধীনে প্রায় ২০ লাখ টাকার ঠিকাদারি কাজ করা হয়। কিন্ত সে কাজের এখন কোন চিহ্নিও নেই। থার্ড টার্মিনাল সম্পন্ন হতে যাবার কারণে সে কাজ মাটির সাথে মিশে গেছে। অথচ সিভিল এভিয়েশন এ কাজের বিল দিচ্ছে চলতি অর্থবছরে। ঠিকাদারি কাজ করেছেন তানভীর ট্রেডার্স-এর খুররম। প্রশ্ন ওঠেছে তাহলে অপ্রয়োজনীয় খাতে কেন সিএএবির ২০ লাখ টাকা খরচ হলো? খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।
সূত্র জানায়, উচ্চ আদালতের তলবি রিট মামলার নোটিশ ,জবাব- ইত্যাদি কারণে প্রকৌশলী শুভাশিষ বড়–য়াকে ততা¡বধায়ক প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দেয়ার পরও দায়িত্ব দেয়া নিয়ে কালবিলম্ব হচ্ছিল, কিন্ত এখন তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে, তাকে পিএন্ডডিকিউএস সার্কেলের এসি/ইএম-এর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
এ দিকে সহকারি পরিচালক প্রশাসন আবিদুর রহমানের সাথে খারাপ আচরণের জন্য সহকারি প্রকৌশলী (ইএম) শাহিনুর আলমকে ঢাকার বাইরে স্ট্যান্ডরিলিজ করা হয়। কিন্ত তিনি বদলিকৃত বিমানবন্দরে যোগদান না করায় আবার তাকে ঢাকার মধ্যে ইএম ডিভিশন-৩-এ বদলি করা হয়। তিনি কাগজে-কলমে ইএম-৩-এ যোগদান করলেও দায়িত্ব পালন করছেন শাহজালঅল বিমানবন্দরে ইএম-১-এর অধীনে।
অবশেষে ইএম-২-এ এক্সইএন শফিকুল ইসলাম যোগদান করলেও তার মধ্যে নাকি খাই খাই স্বভাব কাজ করছে, তিনি অত্যন্ত লোভিটাইপের- এ কথা বলে বেড়চ্ছেন তার-ই সহকর্মীরা। ফলশ্রুতিতে তিনি তার পিয়ারের ঠিকাদারদের নিয়ে মিটিং-এ ব্যস্ত, এরমধ্যে ঠিকাদার খুররমের নাম সবার মুখে মুখে। নতুন করে তিনি ঠিকাদারি কাজের ইস্টিমেট বিতরণ করছেন লাভবান হয়ে- এমন গুজব চলছে। ইতিপূর্বে তিনি বর্তমান প্রধান প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছেন বলেও শোনা যায়। কিন্ত সফলকাম হতে পারেননি, বরং ষড়যন্ত্রকারিরাই সটকে পড়েছে। বিদায়ি এক্সইএন মামুন তার রুমম্যাট, চাকরির ক্ষেত্রে তার সিনিয়র। ঠান্ডামাথার লোক। সংস্থা প্রধানের সাথে খারাপ আচরণের জন্য নাকি তাকে বদলি করা হয়।