বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনের ইএম বিভাগের এক বছরেরও বেশি সময় চলতি দায়িত্বের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সদর দপ্তরের কিউএস করা সেই প্রকৌশলী শাহরিয়ার মোর্শেদ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে এখনও প্রশাসনিক ব্যবস্থাা নেয়া হয়নি। ডিপিসি ছাড়াই তাকে চলতি দায়িত্ব দিয়ে ‘ডবল’ ডিউটি করানো হচ্ছে। অথচ তার চেয়ে অধিকতর যোগ্য, অভিঙ্ঘ এবং বুয়েটের প্রকৌশলীদের কম গুরুত্বহীন দায়িত্ব দিয়ে রাখা রয়েছে। প্রধান প্রকৌশলীর বন্ধু বা পছন্দের লোক বলেই এমন প্রশাসনিক কর্মকান্ড চলছে বলে শোনা যায়। অথচ যে প্রকৌশলীকে চলতি দায়িত্ব দিয়ে ডবল ডিউটি করানো হচ্ছে সেই প্রকৌশলী শাহরিয়ার মোর্শেদ সিদ্দিকী একটি বেসরকারি প্রকৌশল বিশ^বিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন্ঞিনিয়ারিং পাস করেছেন। বিএনপির আমলে বিমান প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপে সিএএবির ইএম বিভাগে তার চাকরি হয়। সেই থেকে তিনি বেশ দাপটের সাথে সিএএবিতে প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন। বিএনপির আমলেও যে প্রভাব ছিল সরকার পরিবর্তনের পরও তার প্রভাব এতোটুকুও কমেনি বরং বেড়েছে বলে অনেকে মনে করেন। তার বিরুদ্ধে দুদক একাধিকবার তদন্ত করেছে। ওয়ান ম্যান ওয়ান টেন্ডার এবং টেন্ডারে ‘সিমিলিয়ার’ শব্দ জুড়ে দিয়ে কতিপয় ঠিকাদারকে তিনি ঠিকাদারি কাজ দিয়ে লাভবান হচ্ছেন। অথচ তিনি বলে বেড়ান আমার কোন পছন্দের লোক বা আত্মীয়স্বজন ঠিকাদারি কাজ করে না। আত্মীয় পরিচয়ে কেউ আসলেও আমি পাত্তা দেই না। শাহজালালে আগুন লাগার ঘটনায় তার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠলেও তাকেই ও ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োজিত করা হয়। এ মাসে শাহজালালে পানি ও বিদ্যুৎ নিয়ে বার বার হাহাকার হলেও তাকে জবাবদিহি করতে হয়নি। বরং সম্মিলিতভাবে সমস্যার সমাধান হওয়ায় মন্ত্রী/সচিব ধন্যবাদ দিয়েছেন।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
