সিভিল এভিয়েশন : সোনা পাচার সহযোগি ক্লিনার পিয়ার আলিকে আবার শাহজালালেই স্ট্যান্ডরিলিজ!

বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে সোনা পাচারে সহযোগিতার অভিযোগে সাসপেন্ড, বিভাগীয় মামলায় অভিযুক্ত ক্লিনার পিয়ার আলিকে আবার তার পুরনো কর্মস্থল শাহজালাল বিমানবন্দরে স্ট্যান্ডরিলিজ করা হয়েছে। ঘটনাটি সিভিল এভিয়েশনে বেশ চান্ঞল্য সৃস্টি করেছে। বলাবলি করা হচ্ছে শিয়ালের কাছে মুরগি ভাগি দেয়া হচ্ছে। কারণ সোনা চোরাচালানে সংশ্লিষ্ট এবং সোনাসহ ধরা খাওয়ার পর যাকে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে সরিয়ে নেয়া হলো, যাকে সাসপেন্ড করা হলো, যার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দেয়া হলো সেই ক্লিনার পিয়ার আলিকেই আবার সিভিল এভিয়েশন ট্রেনিং সেন্টার থেকে স্ট্যান্ডরিলিজ করে আবার শাহজালাল বিমানবন্দরেই পোস্টিং দেয়া হলো। একেই বলে প্রশাসনিক খেল। প্রশাসন ইচ্ছা করলে কি না করতে পারে। সিএএবি প্রশাসনের কি-পয়েন্টে বসে থাকা সরকারের অতিরিক্ত সচিবের দপ্তরেই চাকরির শুরু থেকেই সদর দপ্তরে বহাল থাকা এবার কেরানি হাফিজকে সদস্য প্রশাসনের পিএ হিসেবে তার দপ্তরে পোস্টিং করা হয়েছে। সোনা পাচার সহযোগি ক্লিনার পিয়ার আলিকেও সিএএবির প্রশাসন থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে স্ট্যান্ডরিলিজ করে পোস্টিং করা হলো।
সোনা পাচার সহযোগি ক্লিনার পিয়ার আলি সিএটিসি থেকে স্ট্যান্ডরিলিজ করার আগে সিএটিসি অধ্যক্ষের মতামত নেয়া হয়নি বা অধ্যক্ষও সিএটিসিতি কর্মরত একমাত্র ক্লিনার পিয়ার আলিকে বদলির জন্য প্রশাসনে তালিকা পাঠাননি বলে সিএটিসি সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ক্লিনার পিয়ার আলি একজন ক্লিনার হয়েও সিএটিসিতে কখনো ৭টি ক্লাশরুম, ১৬টি টিচারদের রুম ঝাড়– দিতো না, বাথরুম পরিস্কার করতো না। অন্য লোক এনে ক্লিনার পিয়ার আলি ঝাড়– দেয়ার কাজ করাতো। সিএটিসি কর্তৃপক্ষ এটা দেখেও না দেখার ভান করতো। আর এ সুযোগে ক্লিনার পিয়ার আলি শাহজালাল বিমানবন্দরে পাচার সহযোগি হিসেবে মনোনিবেশ করতো বলে সূত্রে জানা যায়। এবার তাকে সেই শাহজালালেই স্ট্যান্ডরিলিজ করায় তার যোলকলা পূর্ন হলো।
ক্লিনার পিয়ার আলিকে সিএটিসি থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে স্ট্যান্ডরিলিজ করার ব্যাপারে জানতে সহকারি পরিচালক প্রশাসন-২ মো. রফিকুল ইসলামের সেল ফোনে গত ৬ আগস্ট বার বার কল করলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।