হজ ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি : ১৮ এজেন্সির মালিকদের দুদকে তলব : ৫ ফেব্রুয়ারি হাজির হওয়ার নির্দেশ : সহায়তাকারি সহকারি হজ্ব অফিসার বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক : : হজ ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করতে ১৮ হজ এজেন্সির মালিকদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

৩০ জানুয়ারি মঙ্গলবার পৃথক এক চিঠিতে হজ এজেন্সির মালিকদের আগামি ৫ ফেব্রুয়ারি দুদকের কার্যালায়ে হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘দুদক হজ এজেন্সির মালিকদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি ভুক্তভোগী ৯৮ জন হজ যাত্রীর বক্তব্যও গ্রহণ করবে। এখন ওই ভুক্তভোগীদের নাম ও স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা সংগ্রহের কাজ চলছে। খুব শিগগিরই ওই তালিকা ধরে মাঠ পর্যায়ে সফরে নামবে দুদক টিম। একই সঙ্গে বর্তমানে অভিযোগ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে তা যাচাই-বাছাই চলছে।’

দুদকের পাঠানো চিঠিতে যে ১৮ হজ এজেন্সির মালিকদের তলব করা হয়েছে সেগুলো হলো মেসার্স আল সাফা এয়ার ট্র্যাভেলস, আশা এভিয়েশন, গোল্ডেন বাংলা ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরস, ইউনাইটেড ট্যুরস এন্ড ট্র্যাভেলস, গোল্ডেন ট্র্যাভেলস এন্ড কার্গো সার্ভিস, বুশরা ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরস, আল-বালাদ ওভারসিজ, গুলশান এ মোহাম্মাদী ট্র্যাভেলস, মাশফালাহ ট্র্যাভেলস, মিডগুয়ে এভিয়েশন, মদিনা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল এভিয়েশন, এন. ই. এয়ার সার্ভিস, সাদ এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, ইকো এভিয়েশন এন্ড ট্যুরস, ইউরো এশিয়া ট্র্যাভেলস এন্ড ট্যুরস, সিদ্দীকীয়া ট্যুরস এন্ড ট্র্যাভেলস, সাওবান এয়ার ট্র্যাভেলস এবং ওলামা আউলিয়া হজ গ্রুপ বাংলাদেশ।

২০১৭ সালে এই ১৮ হজ এজেন্সির প্রতারণায় হজে যেতে পারেনি ৯৮ জন হজ যাত্রী। এছাড়া হাজিদের মানসম্মত ট্রলিব্যাগ না দেওয়া, ভিসা থাকার পরও হজে পাঠাতে টালবাহানা, সৌদি আরবে চুক্তিহীন বাড়িতে রাখা ও নিম্নমানের খাবার দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে। এমন সুনির্দিষ্ট অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হজ্ব সংক্রান্ত এ সব দুর্নীতির সহায়তাকারি হিসেবে যার নাম বার বার উচ্চারিত হচ্ছে, যাকে কতৃৃপক্ষ সাসপেন্ড করেছিল সেই সহকারি হজ্ব অফিসার আব্দুল মালেক বহাল, দুদক তার টিকিটিও স্পর্শ করতে পারেনি।