একুশে বার্তা ডেক্স : সংবিধানে সপ্তদশ সংশোধন এনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের মেয়াদ আরও ২০ বছর বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে।
এ দিকে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি শেষ হবে। তা বহাল রাখতে তার আগেই সংবিধান সংশোধন করতে হবে।
সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী আনতে প্রস্তুতিও চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে ,
সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনের একটি প্রস্তাব সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে।
আরও টানা চারটি সংসদের জন্য সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ বাড়াতে সংবিধানের সংশোধন আনা হচ্ছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব ২৯ জানুয়ারি সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠকে তোলার জন্য এক নম্বর এজেন্ডায় রয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী ৩৫০ জন সংসদ সদস্য নিয়ে দশম জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে ৩০০ জন এবং সংসদের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে ৫০ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০৪ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন করে সংরক্ষিত নারী সদস্যের ৪৫টি আসন সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আনুপাতিক হারে বণ্টনের ব্যবস্থা করা হয়। তখন এর মেয়াদকাল নির্ধারণ করা হয় পরবর্তী সংসদের অর্থাৎ, নবম সংসদের প্রথম বৈঠক থেকে দশ বছর।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ২০০৯ সালের ২৫ জানুয়ারি। সেই হিসেবে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যের মেয়াদ আছে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।
২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী সদস্যদের সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ এ উত্তীর্ণ করা হলেও ওই সময় আর মেয়াদ বাড়ানো হয়নি।
সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের পেলে তা পাস করতে বিল আকারে সংসদে পাঠানো হবে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে ওই প্রস্তাব যাচাই-বাছাইয়ের পর তা পাস করতে হবে।
সংবিধান সংশোধন করতে হলে সংসদ সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট লাগবে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার ২৩২ আসন নিয়ে সরকার গঠন করেছে।
