ঢাকা কাস্টমস হাউজ : ইলেকট্রিশিয়ান মনজুর কি রাজস্ব কর্মকর্তার সহকারি?

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা কাস্টমস হাউজের ইলেকট্রিয়ান মনজুর কি রাজস্ব কর্মকর্তা খবির আহমেদ ভুইয়ার সহকারি? তা না হলে কিভাবে দীর্ঘদিন ধরে রাজস্ব কর্মকর্তা খবির আহমেদ ভুইয়ার রুমে তার সাথে রাজস্ব সংক্রান্ত ফাইলে পাচওয়ার্ড এবং পেপার গ্রীন করার তদবির করতো। রাজস্ব কর্মকর্তা খবির তার পাচওয়ার্ড ব্যবসায়ীদের হাতে দিয়ে দিতেন আর সমঝোতার টাকা কন্ট্রাক্ট করতো ইলেকট্রিশিয়ান মনজুর। এভাবেই দীর্ঘদিন চলছিল। বাধসাধে পাসওয়ার্ড কেলেংকারির ঘটনা ফাস হবার পর। এর পর থেকে মনজুর নাকি হাউজ থেকে পলাতক। তার বিরুদ্ধে এখনও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, তাকে সাসপেন্ড বা জবাবদিহির আওতায় আনা হয়নি। তার বস খবির উদ্দিনও তার চেয়ারে বহাল। পাসওয়ার্ড জালিয়াতির ঘটনা ফাস হবার পর একজন মহিলা কর্মচারিকে খবির উদ্দিনের সাখে কাজ করার জন্য বদলি করা হয়েছে। একই কাজ করতো ইলেকট্রিশিয়ান মনজুর । প্রশ্ন হয়ে ওঠছে একজন ইলেকট্রিশিয়ান কিভাবে রাজস্ব সংক্রান্ত ফাইলে কাজ করতো। এ ব্যাপারে তদন্ত হওয়া জরুরি বলে অনেকে মনে করেন।
ইলেকট্রিক কাজে অদক্ষ শুধু একটি সংস্থার সনদেই নাকি তাকে ইলেকট্রিয়ান পদে চাকরি দেয়া হয়।
এ দিকে পাসওয়ার্ড জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকার পণ্য খালাস করার পর তদন্তে ধরা খাবার পর একজন আওয়ামীলীগ নেতার সিএন্ডএফ মালিকসহ ৪ সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। বিষয়টি ফৌজদারি ধারার হলেও শুধু জরিমানা করা হয়েছে, মামলার দিকে যায়নি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।ইতিপূর্বেও পাসওয়ার্ড জালিয়াতির ঘটনায় হালিম নামের একজন রাজস্ব কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করা হয়। কিন্ত একই ঘটনায় রাজস্ব কর্মকর্তা খবির এখনও বহাল।তার পক্ষে নাকি নেতারা তদবির করছেন।
নিষিদ্ধ : কুরিয়ারে ১৭ জন সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীকে নিষিদ্ধ করা হলেও মোখলেস নামের একজনের কার্যকর, বাকিরা সক্রিয়।মিল্টন এন্টারপ্রাইজ সিএন্ডএফ লাইসেন্সের মালিক পাচওয়ার্ড জালিয়াতির ঘটনায় জরিমানা গুনেও বহাল , নব্য নেতা বার বার জরিমানা দিয়েও বহাল।