বিশেষ সংবাদদাতা : শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গত ২৯ জুলাই দেড় কেজি সোনা জব্দ এবং ফৌজধারি ধারায় মামলা না করে যাত্রীকে ছেড়ে দেয়ার ব্যাখ্যা দিলেন ঢাকা কাস্টমস হাউজে কর্মরত রাজস্ব কর্মকর্তা প্রিভেনটিভ শ্যামল কুমার। তিনি বলেন, মামলা করলে পুলিশী তদন্তে কালক্ষেপণ, , মামলার আইয়ুর বাদি-বিবাদী, সাক্ষির ব্যাপারে দীর্ঘসূত্রিতা, হয়রানি, শেষ পর্যন্ত মামলার ফাইনাল রিপোর্ট, একটি কুচক্রিমহলের সুবিধা আদায় সর্বোপরি সরকারি রাজস্ব আদায় না হওয়ায় দেড় কেজি সোনা জব্দ , ডিএম করে যাত্রীকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বিভাগীয় মামলা হয়েছে।
তাছাড়া দেড় কেজি পর্যন্ত সোনা ট্যাক্স দিয়ে নেয়ার আইন রয়েছে, তবে এ ক্ষেত্রে ডিক্লারেশন দিতে হবে। কিন্ত জব্দকৃত দেড় কেজি সোনা ডিক্লারেশন না দেয়ায় তা জব্দ করা হয়েছে।যাত্রীকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। একটি স্বল্প সময়ের মধ্যে কমিশনারের এডজুডিকেশনের মাধ্যমে সরকারি ট্যাক্স পরিশোধ করে জব্দকৃত সোনা নিতে পারবে যাত্রী। আর এতে সরকারও রাজস্ব পাবে । আর ফৌজধারি ধারায় মামলা হলে মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সোনা বাংলাদেশ ব্যাংকেই পড়ে থাকবে, সরকার রাজস্ব পাবে না। তবে তিনি জানান, দেড় কেজির ওপরে জব্দকৃত সোনার ব্যাপারে থানায় ফৌজধারি ধারায় মামলা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ট্যাক্স পরিশোধ করে স্বর্ন ছাড়করণে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইন অনুমোদন হয়েছে, তবে তা এখনও গেজেট হয়নি।
তিনি পুলিশের ব্যবহারে অসন্তুষ্ট হয়ে বললেন, গত ৬ মাসে আমরা যে পরিমাণ স্বর্ন জব্দ করেছি- তাতে পুলিশ আমাদের সহয়োগিতা করেনি। তিনি জানান, থানায় মামলা করলে পুলিশের সুবিধা হয়, মামলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকার রাজস্ব পায় না, অনেক সময় মামলার ফাইনাল রিপোর্ট হয়, চার্জশীট হলেও মামলা শেষ হতে অনেক সময় লেগে যায়।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
