বিদ্যুৎ- পানি নিয়ে আবারও শাহজালালে হাহাকার : হজ যাত্রীদের দুর্ভোগ

বিশেষ সংবাদদাতা : আবারও বিদ্যুৎ-পানি নিয়ে শাহজালালে হাহাকার চলছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ফেটে যাওয়া পানির পাইপ মেরামত করে স্বাভাবিকভাবে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি বলে একজন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী স্বীকার করলেন। সরেজমিন পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত রাত ২টা থেকে পানির পাইপ ফেটে যাওয়ার কারণে পানি সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। আর অদ্য ২১ জুলাই সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ১ নম্বর টার্মিনাল এবং ডমেস্টিক ভবনে ক্যাবল লাইন কেটে যাওয়ায় পিডিবির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এ সময় নিজস্ব জেনারেটর দিয়ে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক রাখা হয়। প্রথমে ৫৫ মিনিট, পরে ৮ মিনিট এবং আবার ৭ মিনিট পিডবির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকে। এ সময় সিএএবির নিজস্ব জেনারেটর দিয়ে বিমানবন্দরের অপারেশনমুলক কাজ স্বাভাবিক রাখা হয়। পানি না থাকায় ১১ নং ব্রোর্ডিং ব্রীজ সংলগ্ন বাথরমে বালতি দিয়ে পানি সরবরাহ করে হজ যাত্রীদের পয়: এবং ওজুর ব্যবস্থা করা হয়। সিএএবির উর্ধতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদশর্ন করছেন।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ইএম মো. আব্দুল মালেক জানান, পিডিবির বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও নিজস্ব জেনারেটর দিয়ে বিদ্যুৎ চালু রাখ াহয়। তিনি জানান, ১ মিনিটের জন্য অপারেশনমুলক কাজ বন্ধ ছিল না। বিমানবন্দরের পাশে রেলওয়ের বস্তি উচ্ছেদ অভিযানে বিদ্যুতের ক্যাবল কাটা পড়ায় পিডিবির বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘœ সৃষ্টি হয় বলে তিনি জানান। পানির লাইন ফেটে যাওয়ার কথাও তিনি স্বীকার করেন। তিনি আরো জানান, সারাদেশে একবার ২৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকলেও বিমানবন্দরে ১ মিনিটের জন্যও অপারেশনমুলক কাজ বন্ধ হয়নি। নিজস্ব জেনারেটর দিয়ে বিদ্যুৎ চালু রাখা হয়।
উল্লেখ্য, গত ৪ ও ৫ জুলাই শাহজালালের ১১ নং ব্রোর্ডিং ব্রীজ এলাকায় বাথরুমে পানি সরবরাহ বন্ধ থাকার বিষয়টি বিমান মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে সিএএবির চেয়ারম্যানকে দাপ্তরিক চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।