বিশেষ সংবাদদাতা : হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিং ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সিএএবির ঠিকাদারদের নির্মাণ সামগ্রি বহুতল কার পার্কিংয়ে দ্বিতীয় তলায় যত্রতত্র রাখার ফলে বহুতল কার পার্কিং ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। তৃতীয় তলায় পার্কিংয়ের প্রবেশমুখে ইমিগ্রেমন পুলিশের প্রতি শিফটের ৮০ টি করে মোটর বাইক এবং ১২টি এয়ার লাইন্সে মোটর বাইকসহ প্রাইভেট কার জোর করে পার্কিং করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ইজরাদার শফিক এন্ড ব্রাদার্স-এর কর্তব্যরত প্রতিনিধিরা জোর করে কার পার্কিংয়ের প্রতিবাদ করলে তাদের গালিগালাজ করা হচ্ছে বওে অভিযোগওঠেছে। সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে বার বার অভিযোগ করা হলেও তা আমলে নেয়া হচ্ছে না বলে ইজারাদার প্রতিনিধিরা জানান।
বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বিমানবন্দরকে ক্লিনিং রাখার জন্য তার ফেইজবুক স্টেটাসসহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে হ্যান্ডবিল সাটিয়ে দেয়া হলেও তা আমলে নিচ্ছে না সংশ্লিষ্টরা। এ ব্যাপারে আইনের আওতায় নিয়ে জেল-জরিমানা করার পরও কাজ হচ্ছে না। বিমানবন্দরে ধুমপানের জন্য ৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান করলেও তা অহরহই অমান্য করা হচ্ছে। কর্তব্যরত মাজিস্ট্রেট মাঝেমধ্যেই অভিযান চালাচ্ছে, ধুমপায়ীদের পাকড়াও করছে। কিন্ত শতভাগ ধুমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা যাচ্ছে না শাহজালাল বিমানবন্দরকে।
গত ২৮ এপ্রিল সরেজমিন শাহজালাল বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিং এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বহুতল কার পার্কিংয়ের দ্বিতীয় তলায় পার্কিং এলাকায় যত্রতত্র ময়লা আবজনার স্তুপ পড়ে আছে। এ যেন ময়লার ভাগাড়। তাছাড়া সিভিল এভিয়েশনের ঠিকাদাররা তাদের নির্মাণ কাজের ইটা, বালু, সিমেন্ট, কাঠ, বাশসহ বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রি বহুতল পার্কিং এলাকায় ফেলে রাখা হয়েছে। বহুতল কার পার্কিং-এর দ্বিতীয় তলায় মানুষ-কুকুর একত্রে ঘুমাচ্ছে। নিচতলায় ভাসমান হকাররা হকারি করছে। অথচ বিমানবন্দরকে ভিক্ষুক ও হকারমুক্ত এলাকা ঘোষণা করেছে পুলিশ। কিন্ত পুলিশকে ম্যানেজ করেই হকার, ফকির ভবঘুরে শাহজালাল বিমানবন্দরের প্রবেশমুখ দিয়ে প্রবেশ করছে, সারাদিন ভিক্ষা করছে।
সরেজমিনে আরো দেখা যায়, বহুতল কার পার্কিং-এর তৃতীয় তলার প্রবেমমুখে ইমিগ্রেশন পুলিশের প্রতিটি পালার প্রায় একশত মোটরবাইক, প্রাইভেট গাড়ি, ১২টি এয়ার লাইন্স এবং বিভিন্ন সংস্থার শত শত গাড়ি জোর করে পার্কিং করে রাখা হয়েছে। ইজারাদার প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেন এ সব সংস্থার কাছে কার পার্কিং ফি দাবি করলে মামলায় ফাসিয়ে দেবার ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ ব্যাপারে ইজারাদার কর্তৃপক্ষ সিভিল এভিয়েশনকে বার বার অভিযোগ করার পরও সিভিল এভিয়েশন নীরব।
এ ব্যাপারে ইজারাদার শফিক এন্ড ব্রাদার্স-এর মালিক শফিকুল ইসলাম জানান, বহুতল কার পার্কিংয়ে ময়লা-আবজনার স্তুপে পরিণত করা হয়েছে। সিএএরি নিজস্ব ঠিকাদাররা নির্মাণ সামগ্রি কার পার্কিংয়ে যত্রতত্র রাখছে। তাছাড়া তৃতীয় তলায় গাড়ির প্রবেশমুখে ইমিগ্রেমন পুলিশসহ ১২টি এয়ার লাইন্সের গাড়ি, মোটর বাইক জোর করে পার্কিং করে রাখছে। অথচ সিভিল এভিয়েশন এ ব্যাপারে নীরব ভ’মিকা পালন করছে।
Share this:
- Click to share on Facebook (Opens in new window)
- Click to share on Twitter (Opens in new window)
- Click to share on LinkedIn (Opens in new window)
- Click to share on Tumblr (Opens in new window)
- Click to share on Pinterest (Opens in new window)
- Click to share on Pocket (Opens in new window)
- Click to share on Reddit (Opens in new window)
- Click to share on Telegram (Opens in new window)
- Click to share on WhatsApp (Opens in new window)
- Click to print (Opens in new window)
