সিভিল এভিয়েশন : ১ কোটি টাকার গেট কেলেংকারি , ঘটনার নায়ক প্রকৌশলী জহির- কামরুজ্জামান বদলির পরও বহাল কার স্বার্থে?

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনের সিভিল ডিভিশন-২-এ ১ কোটি টাকার ওপরে গেট কেলেংকারির ঘটনার নায়করা বদলির পরও সিভিল এভিয়েশনে এখনও বহাল। তাদের খুটির জোর নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে, কানাঘুষ চলছে সহকারি প্রকৌশলী জহির এবং উপসহকারি প্রকৌশলী কামরুজ্জামানকে বদলির পরও এখনও সিভিল এভিয়েশনে বহাল রাখা হয়েছে কার স্বার্থে? এরপর আবার ডিপিসি রিপোর্ট অপেক্ষায় জহিরের পদোন্নতি, ডিপিসি কমিটির সদস্যদের ম্যানেজ করে জহিরকে সহকারি প্রকৌশলী থেকে নির্বাহী প্রকৌশলী পদে পদোন্নতি দেয়ার পায়তারা করা হচ্ছে।গুনজন শোনা যাচ্ছে ১০ লাখ টাকা বিভিন্ন ঘাটে ঘাটে খরচ করে তার বদলি ঠেকানো হয়েছে। একই ডিভিশনে আরেক সহকারি প্রকৌশলীকে বদলির পর তিনি তার নতুন কর্মস্থলে চলে গেছেন কিন্ত প্রকৌশলী জহিরের যেতে আপত্তি কোথায়- এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তার সম্পর্কে গোয়েন্দা প্রতিবেদনও আমলে নেয়া হচ্ছে না। অনেক সময় প্রকৌশলী জহির প্রধান প্রকৌশলীর নাম ভাংগিয়ে চলেন, ঠিকাদারদের বলে থাকেন যে, প্রধান প্রকৌশলী বিল কর্তন করতে বলেছেন। এ নিয়ে তার উর্ধতন বস নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে একরকম বাকবিতন্ডা হয়ে যায়। কিন্ত বিষয়টির এখনও সুরাহা হয়নি। ঠিকাদাররা বলে বেড়ান ঘুষ ছাড়া প্রকৌশলী জহির ঠিকাদারি কাজের ফাইল ছাড়েন না। কাজের প্রাক্কলন থেকে শুরু করে ফাইনাল বিল পর্যন্ত প্রকৌশলী জহিরের ঘুষ চাই-ই চাই।
তার অধতন উপসহকারি প্রকৌশলী কামুরজ্জামান এ ক্ষেত্রে কম যান না। তার করা প্রাক্কলনেই ১ কোটি টাকার ওপরে দুর্নীতির তদন্তে ফাস হয়ে গেছে। বিভাগীয় মামলা দিয়ে তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে, এ যেন গুরুদন্ড মার্জনা করে লঘুদন্ড দেয়া হয়েছে। অবশ্য মামলার ভবিষ্যতই বলে দেবে শাস্তি কি হয়। জহির- কামরুজ্জআমান দুজনেই উচ্চ লাইফলিড করেন, থাকেন উত্তরার অভিজাত এলাকায়, আর মানুষকে বলে বেড়ান ভাড়া বাড়িতে থাকি।
খোজখবর নিয়ে জানা গেছে, প্রকৌশলী জহির নেপথ্যে ঠিকাদারি কাজ করেন। তার কাজ করে থাকেন সাব কন্ট্রাক্টর হিরো।
এ ব্যাপারে জানতে প্রধান প্রকৌশলীর সেল ফোনে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।চলবে