কমিশনারের চিঠিতে এসি ফ্রেইটকে সতর্ক

বিশেষ সংবাদদদাতা : ঢাকা কাস্টমস হাউজ কমিশনারের দাপ্তরিক চিঠিতে এয়ারফ্রেইট আমদানি শাখার সংশ্লিষ্ট এসি/ডিসিকে পণ্যের শতভাগ এক্সমিন/এসেসমেন্ট’ করে ট্যাক্স আদায় করার নির্দেশনা জারি করেছেন। আর এতে করে ঘুষ প্রবণতা বর্জনের জন্য নির্দেশনা জারি করেছেন। ফ্রেইটের এসটি শাখার মাধ্যমে এ খবর ছড়িয়ে পড়ে পুরো ফ্রেইটে। ‘এতে ওরা ২০ জন’ অনেকটা সুযোগ খুজছেন বলে জানা যায়। ওরা ২০ জন নিজেরা নিজেরা শপথ নেয়ার পর থেকে একচেটিয়া আমদানিকেন্দ্রিক ব্যবসা করছেন চুটিয়ে। এদের মধ্যে কোন অতি উচ্চমার্গের ব্যবসায়ী জাহিরকৃত গোয়েন্দা সংস্থার সই নকল করে পণ্য ডেলিভারি নিয়ে ২ কর্মচারি জেলও খেটেছে। ঘুষের কথা প্রকাশ পাওয়ায় একজন বহিরাগতকে কমিশনারের নির্দেশে এক সপ্তাহের জন্য ফ্রেইটে আসা বন্ধ করে দেয়া হয়। পাল্টিয়ে ফেলা হয় আগের সব মোবাইল নম্বর।এসটির রুমে খবর বেশ চাউড় হয়ে পড়ে। কারণ এসটিকে ম্যানেজ করে বড় বড় চালান ট্যাক্স ফাকি দিয়ে পার হয়ে যায় বলে গোয়েন্দা সংস্থা খতিয়ে দেখছে। এতে এসটি ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়ে থাকেন। একজন বহিরাগতর মাধ্যমে এ সুবিধার ফসল ঘরে তোলা হয়। তাছাড়া এসটির রুমে ব্যবসায়ীদের ঘন্টার পর ঘন্টা আড্ডা দিতে দেখা যায়। মাঝেমধ্যে এসটির রুমে ব্যবসায়ীদের ‘জামাইি আদরও’ করা হয়। এদের মধ্যে জামালপুরের মাদারগনজের সুলতান নামের এক ব্যবসায়ীর নাম সবার শীর্ষে। প্রায়ই তাকে এসটির রুমে আড্ডা দিতে দেখা যায়। এই সুলতানের আংগুল ফুলে কলাগাছ হবার কাহিনীও সবার মুখে মুখে।
কমিশনারের দাপ্তরিক চিঠি জারি হবার পর এসটিসহ ফ্রেইটের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বেশ বেকায়দায়। আগে আজান দিয়ে ট্যাক্স কম আদায় করে বা নামকাওয়াস্তে ট্যাক্স অঅদায় করে পন্য ছাড়করণ করা হলেও কমিশনারের চিঠি জারির পর ‘শতভাগ’ এক্সামিন/এসেসমেন্ট’ করে পণ্য ছাড়করণের নির্দেশ জারি করার পর এসটিকে ব্যবসায়ীরা অনেকট্ াথোরাইকেয়ার ভাব দেখাচ্ছেন। কিন্ত এসটি ্এতে কাবু হবার না। তিনি তার সুবিধা নিয়েই পণ্য ছাড়করণ করছেন বলে জানা যায়। বিস্তারিত পরের সংখ্যায়