সিভিল এভিয়েশন : ১ কোটি টাকার ওপরে গেট নির্মাণ দুর্নীতি : তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ : দায় স্বীকার করেও পার পেয়ে গেলেন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাকসুদ : ফেসে গেলেন আরেক তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নূরুদ্দিন চৌধুরী : ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ধরাছোয়ার বাইরে!

বিশেষ সংবাদদাতা : সিভিল এভিয়েশনের ডিভিশন-২-এ ৩০ ফুট উচু একটি গেট নির্মাণে ১ কোটি টাকার ওপরে খরচ করায় অবশেষে তা তদন্ত কমিটির আলোরমুখ দেখেছে। কিন্ত এর দায় স্বীকার করা তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী একেএম মাকসুদ পার পেয়ে গেছেন। কিন্ত এর সাথে সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও ফেসে গেলেন আরেক তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এএইচডি নুরুদ্দিন চৌধুরী। বিভাগীয় মামলায় তাকে ফাসানো হয়েছে। এক নির্বাহী প্রকৌশলীর আমলের কাজ হলেও আরেক বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামকেও মামলায় জড়ানো হয়েছে। সহকারি প্রকৌশলী জহিরকেও এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তবে ঘটনার নায়ক উপসহকারি প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বাদ পড়েনি। মোট ৮ জনকে জড়িয়ে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে। কিন্ত এই ঠিকাদারি কাজের নায়ক সেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান- যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ১২টি কাজের বিপরীতে ১৪ কোটি টাকার কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে- যা নিয়ে মন্ত্রণালয় তদন্ত করছে। কিন্ত দুদক এ ব্যাপারে ‘কুম্ভুকর্ন’ ভুমিকা পালন করছে। কারণ ওই ঠিকাদারের বউ নাকি দুদক অফিসের কেরানি।
এ ব্যাপারে কথা হয় এক সহকারি প্রকৌশলীর সাথে, তিনি জানান, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাকসুদ স্যারকে মামলায় জড়ানো হয়নি।
উল্লেখ্য, এ নিয়ে ১৯নভেম্বর/২০ ‘একুশে বার্তা’র’ অনলাইন সংস্করণে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।