একুশে বার্তা প্রতিবেদন : ৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দের পর সেখান থেকে ৪ হাজার ৯” ২৫ পিস ইয়াবা এধার-ওধার করে মাত্র ২৫ পিস ইয়াবা জব্দ দেখিয়ে মামলা করার ঘটনায় ডিএমপির পল্লবী থানার ওসি ও এসআই এসএম কাওসার সুলতানকে সশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার সিএমএম আদালত। গত ১৪ মার্চ এ নিয়ে গণ মাধ্যমে খবর প্রকাশের পর গত সোমবার সিএমএম আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়ারুল ইসলাম এই আদেশ দেন। আগামী ১ এপ্রিল ওই দুই পুলিশ সদস্যকে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
আদেশের কপি পাঠানো হয় আইজিপি, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ কয়েকটি দপ্তরে।
আদেশে বলা হয়, প্রতিবেদনটি আদালতের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তাতে উল্লিখিত ঘটনা, ঘটনাস্থল ও জড়িত ব্যক্তিদের নামের সঙ্গে ওই মামলার আসামি ও এজাহারকারীর বর্ণনা মিলে যাওয়ায় তা সম্পর্কযুক্ত মর্মে আদালতের কাছে প্রতীয়মান হয়।
আদেশের এক স্থানে বলা হয়, ঘটনাকে কেন্দ্র করে মো. ফেরদৌস ও মোসা. চান্দাকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করা হয়। মামলার এজাহার, জব্দ তালিকা ও পুলিশ ফরোয়ার্ডিং পর্যালোচনায় দেখা যায়, আসামি ফেরদৌসের কাছ থেকে ৩৯ পিস ও আসামি চান্দার কাছ থেকে ৩৬ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। তাতে কোথাও অপর কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ নেই। অন্যদিকে পত্রিকার প্রতিবেদনে অভিযোগ আনা হয়েছে, আসামিদের গ্রেপ্তারকালে যে পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়, তার ৫ ভাগও জব্দ হিসেবে দেখানো হয়নি এবং ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে দুজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী এজাহারকারী এসআই এসএম কাওসার সুলতান ও পল্লবী থানার অফিসার্স ইনচার্জ অবৈধ সুবিধা নিয়ে তাদের কর্তব্য থেকে বিচ্যুত হয়েছেন।
এ অবস্থায় পল্লবী থানার ওসি, এসআই এসএম কাউসার সুলতানের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না- মর্মে আগামী ১ এপ্রিল তাদের সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলো।
